২০২১ সালে ২৯৪ টি আসনে তৃণমূল লড়াই করে ২১৬ টি আসনের জয়লাভ করেছিল। আর বিজেপি ২৯৩ টি আসনে লড়াই করে ৭৭ টি আসনে জয়লাভ করেছিল। বর্তমানে তাদের বিধায়ক সংখ্যা ৭৪। তৃণমূল মোট পোলিং ভোটের ৪৮ শতাংশ পেয়েছিল আর বিজেপি পেয়েছিল ৩৮ শতাংশ।
2021 সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তৃণমূলের মনিরুল ইসলাম তিনি মোট ১ লক্ষ ২৩১৯ ভোট পেয়েছিলেন। অর্থাৎ মোট পোলিং ভোটের ৫৫.৪%.
বিজেপির হেমন্ত ঘোষ তিনি পেয়েছিলেন ২২.৯ শতাংশ ভোট। তিনি ৪২ হাজার ৩৭৪ ভোট পেয়েছিলেন। আর কংগ্রেসের মইনুল হক তিনি পেয়েছিলেন ৩৬ হাজার ২০৫ ভোট। অর্থাৎ তিনি মোট পোলিং ভোটের ১৯.৬ শতাংশ পেয়েছিলেন।
ফারাক্কা বিধানসভা হয়তো তৃণমূল জয়লাভ করবে। কিন্তু SIR এর ফলে এই বিধানসভায় প্রায় ১০ হাজারের উপর ভোট বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
হুমায়ুন বাবুর জনতা উন্নয়ন পার্টি যদি প্রার্থী দেয় । আর বিজেপি যদি হিন্দু ভোটকে একত্রিত করে তাদের ভোট ব্যাংকে নিয়ে আসতে পারে। তাহলে 2026 সালে ফারাক্কা বিধানসভার লড়াই জমে যাবে।
এই বিধানসভার প্রায় ৮০টির উপরে বুথে বিজেপির সেভাবে সংগঠন গড়ে তুলতে পারেনি।
বিজেপিকে এখানে তৃণমূলকে শক্ত লড়াই দিতে হলে, সবার আগে যেটা প্রয়োজন সেটা হলো একজন শক্তিশালী প্রার্থী ঠিক করা। যিনি তৃণমূলের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে পারেন এবং কিছুটা সংখ্যালঘু ভোটে ভাগ বসাতে পারেন।
তবে এই মুহূর্তে জনমত সমীক্ষায় যেটা দেখা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে ভোট হলে তৃণমূল ৬০-৪০ % শতাংশে এগিয়ে থাকবে।
আমাদের জনমত সমীক্ষা প্রায় ১০ হাজার ৪০০ মানুষের মতামতের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া ২৪০ টি অটো ড্রাইভার, ৪৫০ উপর টোটো ড্রাইভার ও একশোর কাছাকাছি দোকানদারের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে.
শাসক দল তৃণমূল হয়তো প্রার্থী হিসেবে পুনরায় মনিরুল ইসলামকে পুনরায় প্রার্থী করবেন এখান থেকে। বিজেপি প্রার্থীর দৌড়ে দুজনের নাম শোনা যাচ্ছে সকলের মুখে মুখে। জনমত সমীক্ষা ও কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রায় ৫৫ শতাংশ কর্মী সমর্থকরা চাইছে সুনীল চৌধুরী এখান থেকে প্রার্থী হোক বিজেপির আর ৩৩ শতাংশ কর্মী সমর্থকরা চাইছেন শ্রমিক নেতা অমর চক্রবর্তীকে এখান থেকে প্রার্থী করা হোক।
তবে আরো কয়েকটি নাম শোনা যাচ্ছে আট দশ শতাংশ কর্মী সমর্থকরা তাদের নাম বলছে।
এখন দেখার বিষয় দল কাকে প্রার্থী করে। তবে তৃণমূলকে টক্কর দিতে হলে ভালো প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে ফারাক্কা বিধানসভায়।
0 coment rios: