Showing posts with label সামাজিক. Show all posts
Showing posts with label সামাজিক. Show all posts

Friday, 23 January 2026

আজ রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে সরস্বতী পূজা ও নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালন একসাথে হলো।

আজ রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে সরস্বতী পূজা ও নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালন একসাথে হলো।

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, নদীয়া করিমপুর - 
রাজ্যের বেশিরভাগ স্কুলেই আজকে সরস্বতী পূজো এবং নেতাজি জন্ম জয়ন্তী একসাথে পালিত হয়েছে। 
 এরকম একই সঙ্গে একই দিনে স্কুলের এই প্রোগ্রাম দুটো একসঙ্গে হচ্ছে,বহু বছর পরে ঘটনা ঘটেছে।নদীয়ার করিমপুর সুধা স্মৃতি শিশুনিকেতনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী পালন করা হয় এবং সরস্বতী পূজাও করা হয়। 
 স্কুলের তরফ থেকে ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবকবৃন্দের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। 

Wednesday, 21 January 2026

K. K. S. K  স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

K. K. S. K স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা, ধুলিয়ান  -K.K.S.K স্মৃতি বিদ্যাপীঠ ( HS ) স্কুলে  প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা। এই স্কুলের মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ২২০০ এর কাছাকাছি। শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী মিলে মোট ৩৬ জন স্টাফ আছেন স্কুলে।  প্রতিবছরই একটি উৎসবের আকারে অনুষ্ঠিত হয় এই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষকরা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ১০০ মিটার ২০০ মিটার ৫০০ মিটার, দৌড় প্রতিযোগিতার পাশাপাশি লংজাম, হাই জাম, আলু দৌড়, মিউজিকাল চেয়ার খেলা, বিভিন্ন খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 প্রত্যেকটি ইভেন্টে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে প্রথম, দ্বিতীয়,তৃতীয় স্থান অধিকারী যারা হয়েছেন তাদের প্রত্যেককে পুরস্কৃত করা হয়েছে স্কুলের তরফ থেকে। 
 স্কুলের টিচার ইনচার্জ হলেন  মোহাম্মদ আব্দুল কবির। 
  স্কুলের সহকারী শিক্ষক  শংকর পাল বলেন, আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি  আমাদের শিক্ষকরাও স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নিয়ে খুবই উৎসাহিত থাকেন। সকল শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমাদের এই প্রতিযোগিতা সফলভাবে শেষ হয়েছে।
 জেলা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়  আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা পুরস্কার নিয়ে এসে আমাদের স্কুলকে গর্বিত করবে এটা আমরা আশা রাখি। 
 আমাদের সকল শিক্ষকের তরফ থেকে প্রধান শিক্ষককে আমরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি সফলভাবে এই ক্রিড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করার জন্য।

Wednesday, 10 December 2025

বেথুয়াডহরী স্টেশন চত্বরে অসহায় মানুষদের কম্বল বিতরণ  বিজেপি নেত্রীর

বেথুয়াডহরী স্টেশন চত্বরে অসহায় মানুষদের কম্বল বিতরণ বিজেপি নেত্রীর

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, বেথুয়াডহরী, দৃষ্টি বাংলা - বেথুয়াডহরী স্টেশন চত্বরে অসহায় দুঃস্থ মানুষদের কম্বল বিতরণ করতে দেখা গেল পলাশীপাড়া বিধানসভার বিজেপির নেত্রী সংগীতা ঘোষকে। 
 কিছুদিন আগেই তিনি খবরের শিরোনামq এসেছিলেন, গীতা জয়ন্তীতে পথ চলতি মানুষকে গীতা দান করে। 
 তিনি একজন সমাজ সেবিকা সেটা তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন বিধানসভায় মানুষের কাছে। 
 সূত্রের খবর , ভাই ফোটার দিন গণ ভাইফোঁটার আসর বসিয়েছিলেন সঙ্গীতা ঘোষ নিজের উদ্যোগে। 
 পলাশীপাড়া বিধানসভায় বেশ জনপ্রিয় সমাজ সেবিকা হিসেবে পরিচিত সঙ্গীতা ঘোষ। 
 বিভিন্ন সূত্র, শাসক দল ও বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মুখ থেকে শোনা যাচ্ছে, ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে হয়তো তিনি পলাশীপাড়া বিধানসভা থেকে আগামী দিনের বিজেপি প্রার্থীর দৌড়ে অবশ্যই প্রথম সারিতেই থাকবেন। 
 পলাশীপাড়া বিধানসভা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে এখন একটা পরিচিত বিধানসভা। নিয়োগ দুর্নীতির চেয়ারম্যান এই বিধানসভা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।  তবে এই বিধানসভার সাধারণ মানুষের একটাই দাবি  শাসক ও বিরোধী দলের কাছে, এবার এখান থেকে কোন মহিলা বিধায়ক নির্বাচিত হোক। 
 পলাশীপাড়া বিধানসভার বিজেপির শক্তিপুঞ্জের প্রমুখ মোহিতোষ ভৌমিক জানান, সংগীতা ঘোষ সারা বছরই সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে। 
 তিনি বিজেপির একজন জেলা নেত্রী। 
 তবে তিনি সামাজিক কাজটা প্রচারের আলোয় আনতে তে চান না। 

Sunday, 31 August 2025

মতুয়াদের আশঙ্কা  দূর করতে CAA ও SIR নিয়ে শিবির চাঁদা বাজারে।

মতুয়াদের আশঙ্কা দূর করতে CAA ও SIR নিয়ে শিবির চাঁদা বাজারে।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা, বনগাঁ - গতকাল চাঁদা পানচিতা 95/60 নং বুথে মতুয়াদের নিয়ে CAA ও SIR নিয়ে একটি আলোচনা শিবিরের আয়োজন করেন এই বুথের বিজেপির নেতৃত্ব গোবিন্দ বিশ্বাস। কারন এই বুথে প্রচুর মতুয়া ভোটার বসবাস করেন। তাদের কে ভয় মুক্ত করার জন্যে এই আলোচনা শিবির বলে জানান শিবিরের উদ্যোক্তারা। 
 উল্লেখ করা যেতে পারে, গত ২৯ আগেস্ট এই বুথ থেকে মতুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বিহারে মতুয়া সম্মেলনের কথা বলে। কিন্তু মতুয়ারা সেখানে গিয়ে দেখেন, কংগ্রেসের রাজনৈতিক সম্মেলন চলছে। এই বুথের মতুয়া ভক্তরা তখন বাড়িতে চলে আসার চেষ্টা করলে তাদেরকে অনুরোধ করা হয় রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একটা ছবি তোলার জন্য। সেই কথা রাখতে গিয়ে ভক্তরা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একটা ছবি তোলেন। 
 এই ছবি নিয়ে কংগ্রেস সারা ভারতে মতুয়াদের নিয়ে নোংরা রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে। 
 তাইতো এই মতুয়া ভক্তরা বিহার থেকে বাড়ি ফিরলে, তাদের কে নিয়ে CAA ও SIR সংক্রান্ত আলোচনা শিবির করেন গোবিন্দ বিশ্বাস ও এই বুথের র পঞ্চায়েত সদস্য  বাপি বিশ্বাস।
 বনগাঁ উত্তর বিধানসভার মধ্যে 95/60 নং বুথ খুবই শক্তিশালী বিজেপির। এখানে তৃণমূল সেভাবে পোলিং বুথ বসাতে পারে না। পাশের বুথের লোক এনে বুথ সাজায়। সেই রকম একটি বুথ থেকে মতুয়া ভক্তদের মিথ্যা কথা বলে বিহারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কংগ্রেস এর রাজনৈতিক সভায়। এর পিছনে কিছু বিজেপি নেতার মদত রয়েছে। 
আজকের এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন, বাগদা বিধানসভার প্রাক্তন MLA ও রাজ্য বিজেপি তপশীলি মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি দুলাল চন্দ্র বর, নিখিল ভারত বাঙালি সমন্বয় সমিতির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট অনির্বাণ হালদার, বর্ষিয়ান বিজেপি নেতৃত্ব জগদীশ সরকার, দেবু পোদ্দার, চাঁদা জিএসএফ স্কুলের প্রধান শিক্ষক পরিতোষ রায়, মতুয়া দলপতি খোকন বিশ্বাস, নলীলি বিশ্বাস সহ আরো অনেকে।
 বিজেপি নেতা জগদীশ সরকার বলেন, কংগ্রেস সরকার কখনো মতুয়াদের কথা ভাবেনি, তারা মতুয়াদের নিয়ে সর্বদা ফুটবল খেলেছে। বর্তমানে মতুয়ারা সংঘটিত হওয়ার কারণে কংগ্রেস তাদের কাছে পেতে চাইছে। তাইতো বিভিন্ন কলা কৌশল শুরু করেছে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি  করার জন্য।
 বিজেপি নেতা  দেবু পোদ্দার বলেন, কংগ্রেস কোনদিন মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেয়ার ব্যবস্থা করেননি, বিজিবি সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আপনাদেরকে বলব আপনারা সেই দরখাস্তটা করে নিজেদের নাগরিকত্বটি নিয়ে নিন। যে সুযোগ আপনাদেরকে বিজেপি করে দিয়েছে এর আগে কোন সরকার সেই সুযোগ করে দেয় নি আপনাদের।
 সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে  দুলাল চন্দ্র বর বলেন, মতুয়াদের প্রকৃত বন্ধু হলো বিজেপি, নরেন্দ্র মোদী হলেন মতুয়াদের প্রকৃত ভগবান। মোদীজির কারণেই মতুয়ারা সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচিতি পেয়েছে। মতুয়াদের নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যে খেলায় মেতেছিল। সেই খেলা বন্ধ করার জন্য মোদীজি নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করেছেন মতুয়াদের। তাই মতুয়াদের পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদিকে জানাই কোটি কোটি প্রণাম। আমার সমস্ত মতুয়া ভাইদের উদ্দেশ্যে অনুরোধ, শুধু আপনারা CAA ফর্মটা ফিলাপ করুন। বাকি কাজ বিজেপির। আপনাদের নাগরিকত্ব প্রদানের দায়িত্ব আমরা নিচ্ছি। কোন কেউ আপনাদেরকে ভারত বর্ষ থেকে দাঁড়াতে পারবেনা। তার ব্যবস্থা নরেন্দ্র মোদী করে দিয়েছেন।
 এডভোকেট অনির্বাণ হালদার বলেন, সিএ ফরম ফিলাপ করতে গেলে, একটি বাংলাদেশের বসবাসের প্রমাণ, একটি ভারতে প্রবেশের প্রমাণ, ও একটি সেলফ ডিক্লারেশন এর মাধ্যমে , আপনি ভারতের নাগরিকত্ব জন্য দরখাস্ত করতে পারেন যদি আপনি বিগত পাঁচ বছর ধরে ভারতে বসবাস করেন। আপনার বিরুদ্ধে যদি কোন ফৌজদারী আইন লঙ্গন না হয়, আপনি কোন অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, তাহলে আমরা আপনাকে নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য সাহায্য করবো সর্বতোভাবে। 
 মাত্র ৫০ টাকার বিনিময়ে  CAA ফর্ম ফিলাপ করে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করুন। 
 এই শিবিরের আয়োজক বা উদ্যোক্তা গোবিন্দ বিশ্বাস বলেন, আমার এই 95/60 নং বুথ থেকে কুড়ি পজিশ জন মতুয়া ভক্তকে বিহারের সম্মেলনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে, তাদেরকে কংগ্রেসের সভায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য। আমাদের বিজেপির মধ্যে থাকা কিছু দুষ্টু লোক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। আমার ভূতের মতুয়াদের ভুল ভাঙানোর জন্য, এবং তাদেরই CAA এবং SIR নিয়ে আতঙ্ক কাটাবার উদ্দেশ্যে ও রাজনৈতিকভাবে আজকের এই সভার আয়োজন করেছিলাম আমরা কয়েকজন মিলে। 
 এটা কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। এই সভাতে অনেক তৃণমূল সমর্থক উপস্থিত হয়েছিলেন, শুধুমাত্র তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে আতঙ্ক থাকার কারনে। আজকের এই আলোচনার শিবির সফল করার জন্য আমার তরফ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি।


Sunday, 17 August 2025

সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে CAA প্রশিক্ষণ শিবির নাকাশিপাড়ায়।

সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে CAA প্রশিক্ষণ শিবির নাকাশিপাড়ায়।

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা, নাকাশিপাড়া -নাকাশিপাড়া বিধান সভার অন্তর্গত বেথুয়াডহড়ী ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত ইং 17/08/25 তারিখ রবিবার দুপুরে মোজাফফর নগর কলোনী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিখিল ভারত বাঙ্গালী সমন্নয় সমিতির উদ্যোগে CAA আবেদনের একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত করা হয়। যে ভাবে শাসক দল তৃণমূল SIR নিয়ে মানুষের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছিল সেটা অনেকটাই কাটাতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি। বিজেপির নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন  বিধানসভার জুড়ে CAA প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে মানুষকে আতঙ্ক মুক্ত করেছে। CAA কাম্প সর্বপ্রথম পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত করেন দুলাল চন্দ্র বর বাগাদা বিধানসভার হেলেঞ্চা বাজারে। নিখিল ভারত বাঙালি সমন্বয় সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যের  কাম্প করে মানুষকে বুঝাতে চেষ্টা করছে কেন CAA আবেদন করা জরুরী। তোমার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন যে এখানে কি হতে দেবে না। কিন্তু নিজে  যখন বুঝলেন যে CAA করাটা জরুরি তখন তিনি  নিজেই বলে বসলে নিজের পশ্চিমবঙ্গের যারা এসেছেন এক কাপড়ের বাংলাদেশ থেকে তাদের সকলের নাগরিক করা হবে। আর যারা ফরেনার আছে তারা কেউ নাগরিকত্ব পাবে না।

উক্ত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বাগদা বিধানসভার প্রাক্তন এমএলএ  ও রাজ্য তপশিলি মোর্চার সভাপতি  দুলাল চন্দ্র বর , মতুয়া আন্দোলনের নেতা শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, বিশিষ্ট আইনজীবী অর্নিবান হালদার, জেলা সভাপতি অনুপ কুমার মন্ডল, রাজ্যে নেতৃত্ব বঙ্কিম মন্ডল, সহ একাধিক উদ্বাস্তু আন্দোলনের নেতৃত্ব।
 গতকালের এই সভাটি অনুপ কুমার মন্ডল এর উদ্যোগে করা হয়। তিনি নিজে একদিকে বিজেপির মুখ এই বিধানসভায়, পাশাপাশি মতুয়া আন্দোলনের মুখও তিনি এবং 
নিখিল ভারত বাঙ্গালী সমন্নয় সমিতি নদীয়া জেলা কমিটির সভাপতিও তিনি।

Monday, 21 July 2025

সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে CAA ও SIR নিয়ে আলোচনা সভা বাগদায়।

সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে CAA ও SIR নিয়ে আলোচনা সভা বাগদায়।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা, হেলেঞ্চা- -গতকাল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য  ও বাগদা বিধানসভার প্রাক্তন এমএল দুলাল চন্দ্রবর এর উদ্যোগে  CAA ও SIR নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় বাগদা বিধানসভার  হেলেঞ্চার একটি অনুষ্ঠান গৃহে। এটি ছিল একটি অরাজনৈতিক আলোচনা সভা। যার মূল উদ্যোক্ত ছিলেন দুলাল চন্দ্র বর। অরাজনৈতিক সংগঠন  নিখিল ভারত বাঙালি সমন্বয় সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্যামল বিশ্বাস ও রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনির্বাণ হালদার  ছিলেন এই আলোচনা সভার মূল বক্তা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার। তিনিও CAA নিয়ে আলোচনা করেন।
 এছাড়া এই সভায় আলোচনা করতে দেখা যায় সমাজসেবী বিভা মজুমদারকে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের বুদ্ধিজীবী লোকজনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে আজকের সভায়। এই সভায় প্রায় 500জন মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তার মধ্যে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন 30 জন শিক্ষক, বিভিন্ন পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা, জনপ্রতিনিধি, কৃষক, মতুয়া উদ্বাস্তু সম্প্রদায়ের প্রচুর মানুষ। 
 নিখিল ভারত বাঙালি সমন্বয় সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্যামল বিশ্বাস বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, একজন হিন্দুও  ভারতের নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হবেন না। কিন্তু তাদেরকে CAA দরখাস্ত করতে হবে অবিলম্বে। 1 আগস্ট থেকে  ভোটার লিস্ট স্কুটিনি বা SIR শুরু হবে, তার আগে সকল কে CAA দরখস্ত করতে হবে। তাহলে আর কারোর ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। 
 এই আলোচনা সভার মূল উদ্যোক্তা  দুলাল চন্দ্র বর বলেন,  বিজেপি রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য  বলেছেন একজন হিন্দুও ভোটার লিস্ট থেকে বাদ পড়বেন না, হিন্দুদের ভারতের নাগরিকত্ব নেওয়ার জন্য কোন কাগজের প্রয়োজন হবে না। আমি দুলাল বর, বাগদা বিধানসভার মতুয়া উদ্বাস্তু সম্প্রদায়ের মানুষদের কথা দিচ্ছি, প্রত্যেকে যাতে ভারতের নাগরিকত্ব পান, এবং ভোটার লিস্টের নাম অক্ষত থাকে, সেই দায়িত্ব আমি নিজে নিচ্ছি। আর যাদের যাদের ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ গেছে, তাদেরকে অনুরোধ আপনারা সকলে CAA দরখাস্ত করুন। যদি নিজেরা করতে না পারেন তাহলে আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন আমি ব্যবস্থা করে দেব। এই বার্তা সরাসরি মিটিং থেকে দিয়েছেন দুলাল চন্দ্র বর। 
 বিধায়ক অসীম সরকার বলেন, যদি কারোর কাছে বাংলাদেশের কাগজপত্র না থাকে, তাহলে সেই কাগজপত্র আনার দায়িত্ব আমাদের আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। 
 নিখিল ভারত সমন্বয় সমিতির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও  বারাসাত জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট অনির্বাণ হালদার বলেন, যদি কারোর দরখাস্ত করতে সমস্যা হয়, তাহলে সরাসরি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন আমরা কিভাবে CAA দরখাস্ত করতে হবে সেটা নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে করে দেব।

Thursday, 12 June 2025

ভারতের মাটিতে এত বড় বিমান দুর্ঘটনা এর আগে সম্ভবত কখনো ঘটেনি।

ভারতের মাটিতে এত বড় বিমান দুর্ঘটনা এর আগে সম্ভবত কখনো ঘটেনি।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা কোলকাতা - ভারতের ইতিহাসে ভারতের বুকে এত বড় যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনায় এর আগে সম্ভবত ঘটেনি। একসাথে ২০০ জন নম্বর মানুষের প্রাণ গেছে এরকম ঘটনা ভারতবর্ষের ইতিহাসে বিরল।
আমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী বিমানে প্রায় আড়াইশো জন।  এই বিমানে প্রায় ষাটের উপরে ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন। তাদের প্রায় সকলেই নিহত হয়েছেন বলে খবর। এই বিমান দুর্ঘটনায় সারা বিশ্বের শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
 বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না নাশকতার ছক ছিল সেটা এখনো স্পষ্ট হয়নি।
 এই বিমানের ছিলেন গুজরাটের প্রাক্তন  মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি। 
 মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের উপর  বিমানটি এসে আছড়ে পরে।

Sunday, 18 May 2025

নৃত্যচর্চাকে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেচায় 'রূপা ভারতী'

নৃত্যচর্চাকে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেচায় 'রূপা ভারতী'

নৃত্যচর্চাকে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায় রুপা ভারতী 
নৃত্যচর্চাকে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে
চায় 'রূপ ভারতী'



চায় 'রূপ ভারতী'

মিলন খামারিয়া 

কলকাতা, ১৮ ই মে। ১৯৭৬ সালের ২রা মে 'শুভ অক্ষয় তৃতীয়া'র দিন, উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ির কাছে, চোরবাগানের 'চ্যাটার্জী বাড়ি'তে নৃত্যশ্রী কেকা চট্টোপাধ্যায়ের হাতে প্রতিষ্ঠিত হয় 'রূপ ভারতী' নামে নৃত্য প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন বিচারপতি শঙ্কর প্রসাদ মিত্র , অ্যাডভোকেট প্রমথনাথ পালিত, সমাজসেবী রমণ চট্টোপাধ্যায়, সমাজ সেবী নীলমণি মুখার্জী, যন্ত্র শিল্পী বিনয় ভূষণ ও তবলা বাদক শ্রীকান্ত বড়াল।

'রূপ ভারতী' নামের এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় নৃত্য শৈলী প্রচার করা এবং যুব সমাজ বিশেষত নারীদের মধ্যে তার বিস্তার ঘটানো; যাতে নৃত্যচর্চা এবং নৃত্য শিক্ষা সমাজে এক সম্মানীয় পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

গতকাল ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে 'রূপ ভারতী' গর্বের সঙ্গে তার প্রাক-সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করল 'ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হল'-এ, সন্ধ্যয়। অনুষ্ঠানের বিষয় ছিল 'রবীন্দ্র স্মরণে'।

এদিনের অনুষ্ঠানে সভাপতির পদ অলংকৃত করেন 'অ্যালেন গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ'-এর কর্ণধার ডাঃ জি. পি. সরকার। উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত গায়ক শ্রীকুমার চ্যাটার্জী, প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী পলি গুহ, অভিনেতা অরিন্দম গাঙ্গুলি আরও অনেক গুণীজন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন ক'রে এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম স্বর্গীয় রমন চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল নৃত্যানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কবিতা ও সঙ্গীত মিলিয়ে 'রূপ ভারতী'র কচিকাঁচা শিশুদের নিয়ে  'ছড়ার দেশে রবীন্দ্রনাথ' অনুষ্ঠিত হয়; সংকলনায় ছিলেন অরিন্দম গাঙ্গুলী।

কবির নৃত্যনাট্য 'চণ্ডালিকা' অবলম্বনে অনুষ্ঠিত হল 'কল্যাণী' নৃত্যনাট্য। ডঃ সূর্যাণী চ্যাটার্জ্জী প্রকৃতির ভূমিকায় এবং পলি গুহ মায়ের ভূমিকায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

এছাড়া  নারীদের স্ব-শক্তিকরণ নিয়ে অনুষ্ঠিত হল 'অন্ধকারের উৎস হতে' নৃত্যনাট্য। নারীকে অবমাননা করে কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না। নারীকে নিজেই নিজের শৃঙ্খল মুক্ত ক'রে এগিয়ে যেতে হবে। রবীন্দ্রনাথের নারীরা 'সবলা' হবে। এই ভাবনায় প্রকাশ করা হয়েছে নৃত্যনাট্যতে।

সংস্থার সম্পাদক ডঃ সূর্যাণী বলেন, আজ 'রূপ ভারতী'র ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আমরা যেমন বলতে পারি, আমাদের মূল উদ্দেশ্য নৃত্য চর্চা এবং নৃত্য শিক্ষাকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা;সেটি করতে পেরেছি অনেকটাই। পাশাপাশি এও বলতে চাই যে, আগামী দিনে আমরা এই ভারতীয় নৃত্যশৈলীকে সমাজের প্রান্তিক স্তরে নিয়ে যেতে চাই; যেখানে এখনো পর্যন্ত তথাকথিত নৃত্যের কোনো শিক্ষার প্রতিষ্ঠান নেই বা সেই সকল মানুষের সামর্থ নেই কোনো প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নৃত্যশিক্ষা অর্জন করার তেমন কিছু মানুষের কাছে নৃত্য শিক্ষাকে পৌঁছে দিতে চাই আমরা; যাতে তারাও আমাদের সাথে তালে তাল মিলিয়ে নৃত্যচর্চা করতে পারে। এবং এও বলতে চাই, নৃত্যচর্চা শুধু বিনোদনের জন্য নয়; শারীরিক বিভিন্ন ব্যাধি নিরাময়ের ক্ষেত্রেও যে সাহায্য করে, সেটা যেমন সত্য তেমন তাকে প্রতিষ্ঠিত করতেও চাই।

সংস্থার অধ্যক্ষা নৃত্যশ্রী কেকা বলেন, আজ আমার খুবই গর্বের দিন। আমার তৈরি করা প্রতিষ্ঠান 'রূপ ভারতী' প্রচুর বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে প্রাক সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষ পালন করছে। এর পেছনে প্রচুর পরিশ্রম, প্রচুর লড়াই এবং প্রচুর ধৈর্যের পরীক্ষা আছে। কিন্তু তাও আজ যখন দেখি, আমার নিজের ছাত্র-ছাত্রীরা আমার কাছে নৃত্য শিক্ষা পেয়ে নিজেরা সমাজের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে এবং উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে তখন কোন গ্লানি আর থাকে না বরং আনন্দে মন ভরে যায়। আপনারা এতদিন যেমন আমার পাশে ছিলেন তেমনি সকল মানুষকে, সকল অভিভাবককে অনুরোধ করব, আমাদের আগামী দিনেও যেন আপনাদের পাশে পাই এবং সাফলতার সাথে সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ পালন করতে পারি।

সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনায় ছিলেন 'রূপ ভারতী'র অধ্যক্ষ নৃত্যশ্রী কেকা চট্টোপাধ্যায়, কোরিওগ্রাফার ডঃ সূর্যাণী চ্যাটার্জ্জী, সহযোগিতায় ছিলেন স্বর্ণালি মিত্র এবং অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সঞ্চয় সরকার।

Saturday, 10 May 2025

বাজিতপুর ভারত সেবাশ্রমে হিন্দু মিলন উৎসব গুরুমহারাজের সন্যাস গ্রহনের শতবর্ষ উপলক্ষে

বাজিতপুর ভারত সেবাশ্রমে হিন্দু মিলন উৎসব গুরুমহারাজের সন্যাস গ্রহনের শতবর্ষ উপলক্ষে

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, বনগাঁ, উত্তর 24 পরগনা, দৃষ্টি বাংলা - 10মে বাজিতপুর ভারত সেবাশ্রমে আচার্য দেবের সন্ন্যাস গ্রহণের  শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিরাট সাধু সন্তুদের সমাবেশ লক্ষ্য করা গেছে। কয়েক হাজার মানুষ এদিনের হিন্দু মিলন উৎসবে উপস্থিত ছিলেন। সাধু মহারাজদের মঞ্চের পৃষ্ঠপোষক বা ঘোষক ছিলেন নিতাই মহারাজ। 
 সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছিল এদিনের অনুষ্ঠান। শেষ হয়েছিল বিকেল পাঁচটায়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন আশ্রম থেকে বা মিলন মন্দির থেকে ভক্তরা উপস্থিত হয়েছিলেন এই দিনের বাজিতপুর আশ্রমে। সকালে ভক্তদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা হয়েছিল এবং দুপুরে আহারের ব্যবস্থাও ছিল। পুরো অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন অঙ্গীরানন্দ মহারাজ। তিনি ভক্তদের আহারের  ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন। 
 স্থানীয় গ্রামবাসীদের সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। তবে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে ভক্ত সমাবেশের কোন ঘাটতি ছিল না। সাধুসন্ত  ও মহারাজের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বামী বিশ্বআত্মা নন্দজী, গুরুপদ নন্দজী, বরুনানন্দজী সহ অনেক সাধুসন্তরা। হিন্দু ধর্মের  রক্ষায হিন্দুদের কি করা উচিত সেই সমস্ত দিক নির্দেশ ছিল প্রত্যেকটি মহারাজের গলায়। সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে  বর্তমান ভারতবর্ষের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ধর্মীয় আচার আচরণ হিন্দু ধর্মের যে অবক্ষয় ডেকে আনছে সে বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন প্রত্যেকজন সাধু মহারাজরা। নিতাই মহারাজ বক্তব্য দেয়ার মধ্যে বলছিলেন  শুধু ধর্মীয় আচার-আচরণ করলেই হিন্দুধর্ম রক্ষা পাবে না।  প্রয়োজনে অসুর নিধনের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হবে। আমাদের দেবতারা ও সংবিধানের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। তাই আমাদেরকেওশাস্ত্র জানার পাশাপাশি অস্ত্র ধরাও শিখতে হবে।

Wednesday, 7 May 2025

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কি বললেন প্রাক্তন সেনা কর্তা

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কি বললেন প্রাক্তন সেনা কর্তা

দীপশিখা ব্যানার্জী, বনগাঁ -কাশ্মীর পহেলগাঁও এর জঙ্গি হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যে ব্লু প্রিন্ট করা হয়েছিলো''অপারেশন সিঁদুর, নামে এয়ার স্ট্রাইক। 26জন মা বোনের সিঁদুরের বদলা এই ভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী নিতে পারেন সেটা কল্পনার মধ্যেই আনতে পারেনি পাকিস্তান। 
এই বিষয়ে একজন প্রাক্তন সেনা কর্তা রামপদ দাস বলেন, পাকিস্তান সন্ত্রাস এর আতুর ঘর এবং সারা বিশ্বে যে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়েছে তার প্রধান কারন এই পাকিস্তান। 
বিগত তিন দশক ধরে পাকিস্তান ভারতে সন্ত্রাসবাদী কার্য কলাপ করে চলেছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে।  তাইতো এর শেষ হওয়া দরকার। আমি একজন প্রাক্তন সেনা হিসাবে বলতে পারি, এই ভাবে নিরীহ পর্যটক দের ধর্ম দেখে দেখে হত্যা করা কত বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন সেটা পাকিস্তান হয়তো জানে না।
তাইতো আমি আমার প্রধান মন্ত্রীর কাছে দাবী রাখী, একদম গোড়া থেকে সন্ত্রাস বাদ তুলে ফেলতে হবে। তার জন্যে সমস্ত সেনা আপনার পাশে থাকবে। 
অপর দিকে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মিত্র। তিনি এই এয়ার স্ট্রাইক কে ফেক বলেছেন। 
রামপদ দাস মহুয়া মিত্র কে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি সাংসদ হয়ে কি করে সেনা কে অপমান করতে পারেন। এর আগেও তিনি অনেক দেশ বিরোধী কাজ করেছেন। 
তিনি আসলে দেশ বিরোধী শক্তির হাত শক্ত করছেন। তার উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আপনি বাঙালি হিসাবে একজন কলঙ্কিত মানুষ, আপনি সারা ভারতের কাছে বাঙালিকে অপমান করছেন। তাই আপনি এখনই ক্ষান্ত হন। আপনি এবং আপনার দলের কার্যকলাপ বাংলার মানুষ সবটাই জানে। তাই নিজেকেও নিজের দলকে আর কলঙ্কিত করবেন না।
 

Tuesday, 29 April 2025

দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির'-এর উদ্যোগে হল সাহিত্য সভা

দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির'-এর উদ্যোগে হল সাহিত্য সভা



পারুল খামারিয়া 

বারাসাত,১৪ই মার্চ। আজ দোলযাত্রা তথা হোলি খেলা। এই দিনই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই দিনই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরাধার মুখে প্রথম রঙ দিয়েছিলেন। হিরণ্যকশিপুর বোন হোলিকার আগুনে পুড়ে মৃত্যুর পর ভগবান বিষ্ণু নৃসিংহদেবের রূপ ধারণ করে হিরণ্যকশিপুকে হত্যা করেন। অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির বিজয় সূচিত হয় এই দিনই। এই দিনের মাহাত্ম্য অনেক।

হোলিকা দহন বা হোলিকাকে যেমন আগুনে পোড়ানো হয়েছিল তেমন ক'রে অশুভ শক্তিকে পুড়িয়ে শুভ শক্তির জয় ঘোষণা করতে হবে - এই বার্তা দিতেই আজ 'সাহিত্য-সংস্কৃতি ও গৌরব সম্পাদনী' সভা আয়োজিত হয়েছিল 'দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির'-এর পক্ষ থেকে হৃদয়পুরের 'প্রণব কন্যা সংঘ'-এ। এই সভায় আশ্রমের সন্যাসীনী মাতা ও আশ্রম বালিকা এবং ভক্তরাও অংশগ্রহণ করেন।

এ দিন শুরুতেই হরিনাম সংকীর্তন করা হয়। তারপর গীতি - আলেখ্য পরিবেশন করেন অরূপা দত্ত, রুনু দত্ত,তন্দ্রা দত্ত ও সন্যাসীনী আত্মস্থানন্দময়ী মাতা। একটি একক গীত পরিবেশন করেন তনিমা সাধুখাঁ।

আবৃত্তি করেন ছন্দা হালদার ও দিলীপ বিশ্বাস। সুমন রায় শ্রীচৈতন্যদেবের কাজী দলনের কথা পাঠ করে শোনান।
ড. কল্যাণ চক্রবর্তী দোল যাত্রার গুরুত্ব ও ভেষজ আবীর তৈরি করার কথা বলেন। কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি আবীরে আমাদের ক্ষতি হচ্ছে বলেন তিনি জানান। 

এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিলন খামারিয়া বলেন, আজ দোলযাত্রা তথা হোলি উৎসব।  সারা দেশ জুড়েই পালিত হয়েছে এই উৎসব। কিন্তু কতিপয় স্থানে অশুভ শক্তিরা এই আনন্দ উৎসবে বাধা দান করার চেষ্টা করেছে আমাদের রাজ্যে ও দেশের কিছু জায়গায়। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে হবে। বিদেশি ' ভ্যালেন্টাইন্স ডে' নয়, দোলযাত্রা তথা হোলি হোক বাঙালি তথা ভারতবাসীর 'প্রেম দিবস'। নিজের সংস্কৃতি পালনের মধ্যে গৌরব আছে। এই বার্তা সমাজের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই আমরা আজ এই সাহিত্য সভার আয়োজন করেছিলাম।

এই অনুষ্ঠানে সংঘের পক্ষ থেকে হোম-যজ্ঞ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে প্রসাদ দেওয়া হয়।