সর্বশেষ

Wednesday, 30 September 2026

বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সহ রাজ্য নেতৃত্বে কে সংবর্ধনা দেওয়া হলো নীলদর্পণে

বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সহ রাজ্য নেতৃত্বে কে সংবর্ধনা দেওয়া হলো নীলদর্পণে

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা , বনগাঁ 
 আজ বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার  নবনির্বাচিত সভাপতি নৃপেন বিশ্বাস সহ রাজ্যের অন্যান্য নেতৃত্বকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়. বনগাঁ নীলদর্পণ অডিটোরিয়াম প্রেক্ষাগৃহে।
 প্রথমেই  সংবর্ধনা দেওয়া হয় জেলা সভাপতি নৃপিন বিশ্বাস কে। তারপরে একে একে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় রাজ্যের সহ-সভাপতি  ও নদিয়া দক্ষিণ জেলার অবজারভার রামপদ দাস, রাজ্যের আরেকজন সহ-সভাপতি ও বনগাঁ জেলার অবজারভার অমিতাভ রায় কে। 
 এরপরে সম্বর্ধনা দেয়া হয় রাজ্যের সম্পাদিকা ও বারাসাত জেলার অবজারভার বিভা মজুমদার কে। এরপরে সম্বর্ধনা দেওয়া হয় নবদ্বীপ জোনের কনভেনার চন্দ্রকান্ত দাস কে। 
 এছাড়াও আজকের এই মঞ্চে রাজ্যের আরো অনেক  নেতৃত্বের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। 
 মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণীর বিধায়ক অনুপম বিশ্বাস, রাজ্য কমিটির সদস্য অজয় ঘোষ একঝাঁক নেতৃত্ব। 
 মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলার সভাপতি নৃপেন বিশ্বাস বলেন, আমার লক্ষ্য হবে বনগাঁ জেলাকে নতুন পুরাতন কার্যকর্তার সংমিশ্রনের সুন্দর কমিটি গঠন করে জেলা পরিচালনা করা হবে আমার এক মাত্র লক্ষ্য।
 রাজ্যে সহ-সভাপতি রামপদ দাস বলেন, রাজ্য আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, আমি আমার রাজ্য নেতৃত্বকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলতে চাই, আমাকে যখন যে দায়িত্ব রাজ্য দিয়েছে আমি সেটা সততার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করেছি, 
 আমি সকল নবীন পুরাতন কার্যকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমরা এখন ক্ষমতায় এসেছি, দীর্ঘদিন লড়াই করার পরে সংগ্রাম করার পর, ক্ষমতায় আসার স্বাদ যেন আমাদেরকে ভুল পথে পরিচালিত করতে না পারে। 
 আমাদের দায়িত্ব বেড়েছে, এই কথাটা মাথায় রেখেই সকল কার্যকর্তাদের চলা উচিত।

Monday, 28 September 2026

গ্রেপ্তার বনগাঁর প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস।

গ্রেপ্তার বনগাঁর প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস।

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, গোপাল নগর, দৃষ্টি বাংলা - বাড়ি থেকে বেরোনোর পথে গোপননগর থানার পুলিশ বনগাঁ উত্তর বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস কে গ্রেফতার করলো। সূত্র থেকে জানা যায় তার গাড়ি থেকে আগ্নেয় অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।
 বিশ্বজিৎ দাস  তিন বারের বিধায়ক ও বনগাঁ লোকসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এবং বর্তমানে বনগাঁ জেলার তৃণমূলের সভাপতি। 
 তার এই গ্রেফতারিতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 
 যার ইশারায় একসময় বহু মানুষ বিনা দোষে জেল খেটেছে। যার কথায় বনগাঁ মহাকুমার সমস্ত পুলিশ প্রশাসন চলতো। 
 নিয়তির কি খেলা দেখুন নিজের বাড়ির এলাকা থেকে নিজের বাড়ির সামনের পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে। এর থেকে ভয়ংকর কর্মফল আর কি হতে পারে। 
 তার এই গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিরোধীদলের শাসকদলের নেতাদের বিভিন্ন মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। 
 তবে গোপালনগরের সাধারণ মানুষ এই গ্রেফতারিতে খুবই খুশি।

Friday, 15 May 2026

সাগরদিঘি বিধানসভায় ভূল প্রার্থী নির্বাচন করার কারণে বিজেপির হয়তো এই আসনটি জয়লাভ করতে পারেনি।

সাগরদিঘি বিধানসভায় ভূল প্রার্থী নির্বাচন করার কারণে বিজেপির হয়তো এই আসনটি জয়লাভ করতে পারেনি।

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, সাগরদীঘি, দৃষ্টি বাংলা -গতকাল সাগরদিঘী  বিধানসভার পিলকি গ্রামে সেখানকার বিজেপির কর্মকর্তাদের ডাকে  বিজেপির বিজয় উৎসবের মিছিলে সনাতনী মানুষের আবেগ ছিল চোখে পড়ার মতো।সাগরদিঘী বিধানসভায় বিজেপির বিজয় মিছিল দেখে যেটা উপলব্ধি করা যাচ্ছে, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা রাস্তায় বেরিয়ে যেভাবে বিজয় উচ্ছ্বাসে মাতলেন তাতে একবারও মনে হচ্ছে না এই বিধানসভায় বিজেপি হেরেছে তৃণমূলের কাছে। 
 যিনি বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি শেষ মুহূর্তে গিয়ে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। 
 সাগরদিঘী বিধানসভার অনেক মন্ডল সভাপতি এবং বিজেপি কার্যকর্তারা প্রার্থী হিসেবে মানতে পারেনি। 
 এক কথায় বলতে গেলে ভুল প্রার্থী নির্বাচন করার কারণে বিজেপি সাগরদিঘী বিধানসভায় জিততে পারেনি। 
 বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল তিনি ঠিক মতন প্রচার পর্যন্ত করেনি। 
 বিজয় মিছিলে বিজেপি কার্যকর্তাদের আবেগ ও মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান প্রমাণ করে এই মুহূর্তে বিধানসভায় ভোট হলে বিজেপি এখান থেকে প্রচুর ব্যবধানে জিতবে। 

Sunday, 10 May 2026

জয়ের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্যে বাড়ী বাড়ী গিয়ে মিষ্টি মুখ করাচ্ছেন বিজেপি কার্যকর্তারা।

জয়ের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্যে বাড়ী বাড়ী গিয়ে মিষ্টি মুখ করাচ্ছেন বিজেপি কার্যকর্তারা।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, বনগাঁ, দৃষ্টি বাংলা - বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে  এই প্রথম। সেই আনন্দ সাধারণ মানুষের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন বিজেপি কার্যকর্তারা বনগাঁ উত্তর বিধানসভায়। 
 ৯৫ বনগাঁ উত্তর বিধানসভার ধর্মপুকুরিয়া অঞ্চলের 60 ও 64 নং বুথে বিগত দুইদিন ধরে মিস্টি মুখ করাচ্ছেন অঞ্চলের কার্যকর্তারা। 
 সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্যে জনসংযোগের পাশাপাশি মিষ্টিমুখ করানো হচ্ছে সত্যিই এটা একটা অভিনব উদ্যোগ। 
 আরে উদ্যোগটি নিয়েছে বর্ষিয়ান বিজেপি নেতৃত্ব গোবিন্দ বিশ্বাস। 
 এই ৬০ নম্বর বুথে প্রচুর ভোট দিতে দিতে পারেনি মতুয়া ভোটাররা। কারণ তাদের ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ গেছে। তারপরও এই বুথ থেকে প্রচুর পরিমাণে বিজেপি লিড পেয়েছে বিগত ১৫ বছর ধরে এখানে তৃণমূল পোলিং বুথ বসাতে পারে না। 
 অন্য বুথ থেকে কর্মী এনে এখানে টেবিল বসাতে হয় তৃণমূলের। 
 এই বুথের বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য বাপি বিশ্বাস বলেন, আমাদের এখানে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ বিজেপি করেন। সারা বছর তাদের সঙ্গে সুখে দুঃখে থাকি। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে, সেই আনন্দ আমরা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভাগ করে নিচ্ছি। 
 বুথ সভাপতি গৌর ঠিকাদার বলেন, আমাদের এখানে বিজেপির বর্ষিয়ান নেতা গোবিন্দ বিশ্বাস, নিজের বাড়িতেই বিগত 20 বছর ধরে বিজয় দশমীর মিষ্টিমুখ করান। তাই এত দিনের পরিশ্রম সফল হয়েছে। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে একজন প্রকৃত হিন্দু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। 
 আমরা সেই আনন্দে সকলে মিলে  মিষ্টিমুখ  করছি। 
64 নং বুথের বিজেপি প্রার্থী ডলি সরকার বলেন, এই বুঝে সাধারণ মানুষ  মিষ্টি খেতে চেয়েছিল । আমরা তাই পার্টির তরফ থেকে  সকলকে একটু মিষ্টিমুখ করালাম। এবং আমাদের জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিলাম সকলের সঙ্গে।
 প্রাক্তন শক্তিপুঞ্জের প্রমুখ সুরেশ বিশ্বাস বলেন, আমরা গোবিন্দদার নেতৃত্বে ও তার উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছি। আমাদের রাজ্যে একজন প্রকৃত হিন্দু হিন্দু মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে। সেই আনন্দ বলে বোঝানো যাবে না। 

Wednesday, 29 April 2026

2026 বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে 205টি আসন নিয়ে। আর তৃণমূলের ঝুলিতে যাবে 84টি আসন।

2026 বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে 205টি আসন নিয়ে। আর তৃণমূলের ঝুলিতে যাবে 84টি আসন।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা - মোটিভেটর ইকোসিস্টেম নিউস নেটওয়ার্ক ও দৃষ্টি বাংলার  পক্ষ থেকে বিগত ছয়মাস ধরে বাংলার প্রতিটি বুথে সমীক্ষা করে যে তথ্য সংগ্রহ করেছে তাতে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল ক্ষমতায় আর ফিরতে পারছে না। প্রায় 100 আসনের ব্যবধান থাকবে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের ভোটের পার্থক্য থাকবে মাত্র 4-5 শতাংশ। শোনা M -pac নামক নেটওয়ার্ক সংস্থা প্রতিটি বিধানসভা ধরে ধরে যে সমীক্ষা চালিয়েছে সেই রিপোর্টের  উপর নির্ভর করেই এবার বেশিরভাগ প্রার্থী নির্বাচন করেছে বিরোধী শিবিরের দলগুলি।
বিজেপি পেতে চলেছে ২০৫ টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ৮৪ টি, সিপিএম -১ কংগ্রেস -১, ISF পেতে পারে - ২ টি। হুমায়ুন এর দল - ২ টি আসন। 
তবে এই সার্ভে খুব গোপনীয় ভাবে করা হয়েছে। 
বিজেপির ৫-৬ % ভোট বাড়তে পারে। অপর দিকে তৃণমূলের ৬-৭% ভোট কমতে পারে। মুসলিম বিভিন্ন দল পেতে পারে। এক কথায় হিন্দু ভোট এক জায়গায় পড়বে। আর মুসলিম ভোট ভাগ হয়ে তৃণমূল কে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেবে বাংলার মানুষ। 

Sunday, 29 March 2026

Saturday, 21 March 2026

বনগাঁ উত্তর বিধানসভার গোপালনগরে বিজেপির প্রাক্তন মন্ডল সভাপতির স্মরণ সভা।

বনগাঁ উত্তর বিধানসভার গোপালনগরে বিজেপির প্রাক্তন মন্ডল সভাপতির স্মরণ সভা।

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, দৃষ্টি বাংলা, গোপালনগর - আজ গোপালনগর চালাকি ব্যারাকপুরে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য গোপাল হালদারের বাড়িতে একটি স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। 
 গোপালনগর অখন্ড মন্ডলের প্রাক্তন সভাপতি শ্রী মধুসূদন বিশ্বাস পরলোকে গমন করেন। 
 পরিবারের তরফ থেকে তার শ্রদ্ধা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়ে যায় গত সপ্তাহে।  
 মধুসূদন বিশ্বাসের সমব্যথী সহ যোদ্ধারা একটি স্মরণ সভার আয়োজন করে, সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশে গোপাল হালদারের বাড়িতে। 
 এই স্মরণ সভা আয়োজন করার জন্য একটি কমিটি করা হয়। এই স্মরণ সভার মূল উদ্যোক্তারা ছিলেন, গোপাল হালদার, অরুণাভ পোদ্দার, গোবিন্দ বিশ্বাস,  বিপ্লব সরকার ,গৌতম মন্ডল, অজয় ঘোষ সহ আরো কয়েকজন কার্যকর্তা।
 এই স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অরুণাভ পোদ্দার বলেন, মধুসূদন বিশ্বাস আমাদের আদর্শ ছিলেন, তিনি বামফ্রন্টের আমলে বুক চিতিয়ে লড়াই করে সংগ্রাম করে বিজেপির সংগঠনকে দাঁড় করিয়েছিলেন গোপালনগরে। 
 যে সংগঠনের উপরে দাঁড়িয়ে বর্তমানে বিজেপির সংগঠন চলছে গোপালনগরে। নবীন কার্যকর্তা এবং বর্তমান জনপ্রতিনিধিরা মধুসূদন বিশ্বাসের সম্পর্কে খুবই কম জানেন। সংগঠনের প্রতি মধুসূদন বিশ্বাসের একটা আলাদা অবদান আছে গোপালনগরে। 
 গৌতম মন্ডল বলেন, আমাদের পুরাতন কার্যকতাদের কোন  মূল্য বর্তমান সময় নেই। না হলে মধুদার মত একজন কার্যকর্তা মারা গেলেও, আমাদের দলের এমএলএ এমপি কেউ খোঁজ নেয়নি। এটা আমাদের বিজেপির সংস্কৃতি নয়।  
 আমরা বিজেপির পুরাতন কার্যকর্তারা সকলে একত্রিত হয়ে থাকবো সকলের বিপদে আপদে আমরা একত্রিত থাকলে আমাদেরকে কেউ অবহেলা বা অপমান করতে পারবে না।