বর্তমানে বিজেপির মোহন হালদার তৃণমূল করছেন। ভোটের কিছু দিন পরেই তিনি তৃণমূলে চলে যান। বিজেপি দল ভূল ক্যান্ডিডেট নির্বাচন করেছিলেন তখন যার ফল এখনো ভোগ করছে দল। সেই জন্যে সঠিক ক্যান্ডিডেট নির্বাচন করতে হবে এবার দলকে। এই মুহুর্তে ভোট হলে,আমাদের জনমত সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে তৃণমূল এখানে জয়লাভ করতে পারে। কিন্ত তার সাথে কিছু শর্ত তৃণমূলের পিছনে। তবে বিজেপি যদি একটি সঠিক ক্যান্ডিডেট দিতে পারে লড়াই জমে যেতে পারে। বিধায়ক কানাই মন্ডল এর জনপ্রিয়তা বর্তমানে তলানিতে থেকেছে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে তৃণমূল যদি কানাই বাবুকে ক্যান্ডিডেট করে তাহলে ভূল করবে।
তবে বিজেপি কাকে ক্যান্ডিডেট করবে সেটা জানা না গেলেও দুটো তিনটে নাম কর্মীদের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। জনমত সমীক্ষায় 56% কর্মী ও সমর্থকদের পছন্দের ক্যান্ডিডেট হিসাবে প্রশান্ত প্রধানের নাম প্রথমেই উঠে আসছে। 24% কর্মীদের পছন্দের ক্যান্ডিডেট হিসাবে স্বয়ংসেবক মানিক সরকারের নাম উঠে আসছে। 20% কর্মীদের পছন্দ হরিশ সরকারের নাম। 
তবে দল কাকে প্রার্থী করে সেটাই দেখার। কিন্তু বিজেপিকে জিততে গেলে ৫০% বুথ এখনো সেভাবে শক্তিশালী নয়, এই বুথ গুলোকে পুনরায় শক্তিশালী করতে হবে।
এছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, এই বিধানসভার সংগঠন বিজেপির দুর্বল হয়েছে ভুল প্রার্থী নির্বাচনের কারণে। মোহন হালদার বিজেপি থেকে তৃণমূলে চলে যাওয়ার জন্যেই এখানে সংগঠন সেভাবে শক্তিশালী হয়নি।
কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে প্রশান্ত প্রধান যেভাবে প্রত্যেকটা অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে বিজেপির জনসংযোগ করছেন। এটা প্রশংসার দাবি রাখে। একজন শিক্ষক যদি এই বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে পান তাহলে নবগ্রাম বিধানসভায় মানুষের অনেক উপকার হতে পারে বলে অনুমান।
0 coment rios: