সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছিল এদিনের অনুষ্ঠান। শেষ হয়েছিল বিকেল পাঁচটায়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন আশ্রম থেকে বা মিলন মন্দির থেকে ভক্তরা উপস্থিত হয়েছিলেন এই দিনের বাজিতপুর আশ্রমে। সকালে ভক্তদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা হয়েছিল এবং দুপুরে আহারের ব্যবস্থাও ছিল। পুরো অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন অঙ্গীরানন্দ মহারাজ। তিনি ভক্তদের আহারের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন।
স্থানীয় গ্রামবাসীদের সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। তবে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে ভক্ত সমাবেশের কোন ঘাটতি ছিল না। সাধুসন্ত ও মহারাজের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বামী বিশ্বআত্মা নন্দজী, গুরুপদ নন্দজী, বরুনানন্দজী সহ অনেক সাধুসন্তরা। হিন্দু ধর্মের রক্ষায হিন্দুদের কি করা উচিত সেই সমস্ত দিক নির্দেশ ছিল প্রত্যেকটি মহারাজের গলায়। সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমান ভারতবর্ষের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ধর্মীয় আচার আচরণ হিন্দু ধর্মের যে অবক্ষয় ডেকে আনছে সে বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন প্রত্যেকজন সাধু মহারাজরা। নিতাই মহারাজ বক্তব্য দেয়ার মধ্যে বলছিলেন শুধু ধর্মীয় আচার-আচরণ করলেই হিন্দুধর্ম রক্ষা পাবে না। প্রয়োজনে অসুর নিধনের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হবে। আমাদের দেবতারা ও সংবিধানের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। তাই আমাদেরকেওশাস্ত্র জানার পাশাপাশি অস্ত্র ধরাও শিখতে হবে।
স্থানীয় গ্রামবাসীদের সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। তবে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে ভক্ত সমাবেশের কোন ঘাটতি ছিল না। সাধুসন্ত ও মহারাজের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বামী বিশ্বআত্মা নন্দজী, গুরুপদ নন্দজী, বরুনানন্দজী সহ অনেক সাধুসন্তরা। হিন্দু ধর্মের রক্ষায হিন্দুদের কি করা উচিত সেই সমস্ত দিক নির্দেশ ছিল প্রত্যেকটি মহারাজের গলায়। সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমান ভারতবর্ষের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ধর্মীয় আচার আচরণ হিন্দু ধর্মের যে অবক্ষয় ডেকে আনছে সে বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন প্রত্যেকজন সাধু মহারাজরা। নিতাই মহারাজ বক্তব্য দেয়ার মধ্যে বলছিলেন শুধু ধর্মীয় আচার-আচরণ করলেই হিন্দুধর্ম রক্ষা পাবে না। প্রয়োজনে অসুর নিধনের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হবে। আমাদের দেবতারা ও সংবিধানের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। তাই আমাদেরকেওশাস্ত্র জানার পাশাপাশি অস্ত্র ধরাও শিখতে হবে।
0 coment rios: