কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই প্রচেষ্টা বলে বা উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। সেই কারনে হয়তো বিধানসভার কর্মীদের মনোবল বাড়াতে, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই বনভোজন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আজকে বনভোজনের মূল উদ্যোক্তা বিশ্বজিৎ সরকার তিনি যুব মোর্চার সভাপতি। এই বনভোজনে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে, রাজ্য যুব মোর্চার সহ-সভাপতি বুবাই ঘোষ, জেলার সহ-সভাপতি রঞ্জন অধিকারী, জেলার প্রাক্তন সহ সভাপতি সঙ্গীতা ঘোষ,বিপদভঞ্জন কাঞ্জিলাল, পঙ্কজ সাহা, শক্তিপুঞ্জের প্রমুখ মহিতোষ ভৌমিক, বৃন্দাবন বিশ্বাস,শম্ভু দাস, বিদ্যুৎ হালদার, বাপি শীল সহ প্রচুর কার্যকর্তা।
প্রবীর নামের একজন কার্যকর্তা বলেন, আমরা কর্মীরা খুব আনন্দ করেছি আজকের বনভোজনে।রানীমা একদম মাটির মানুষ, তিনি কর্মীদের সাথে যেভাবে মিশে যেতে পারেন খুব সহজে সেটা না দেখলে বোঝাই যাবে না। তিনি কৃষ্ণনগর রাজবাড়ীর রানীমা। কিন্তু তাকে দেখলে কেউ বুঝতেই পারবে না তিনি একজন সেলিব্রেটি। তিনি যে আমাদের কৃষ্ণনগরের গর্ব।
এই বনভোজন প্রসঙ্গে রানী মা বলেন, নদিয়া উত্তর জেলা যুব মোর্চা সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার নিজের উদ্যোগে এই বনভোজনের আয়োজন করেছেন। কর্মীদের আবদার মিটানোর জন্য ও তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে আজকের এই বনভোজন। আমি ও জেলার কিছু কার্যকর্তা মিলে বিশ্বজিতকে সহযোগিতা করেছি আজকের এই বনভোজনের জন্য।
আমাকে যখনই কোন কার্যকর্তা ও কর্মীরা ডাকবে আমাকে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াবো।
কর্মীরাই পার্টির সম্পদ , তাদের ঐক্যবদ্ধ লড়াই বিজেপিকে এই রাজ্যে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে পারে।
0 coment rios: