পেশায় দিনমজুর প্রণব মাঝি কিছুতেই টাকা জোগাড় করতে না পেরে বিদ্যুৎ এর আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন. গরমে খুবই কষ্ট হতো ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের. সেটা সহ্য করেই পাঁচ বছরের বেশি সময় কাটিয়ে দিয়েছেন. কিন্ত ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছিল.
বর্ধমান জেলার বিজেপির কাটোয়া বিধানসভার নেত্রী সমাজসেবিকা বিনীতা বড়াল একদিন গৃহ সম্পর্ক অভিযান করতে গিয়ে এই পরিবারের কাছে আসেন. তখন পরিবারের প্রধান দিনমজুর প্রণব মাঝি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পরিশোধ করতে না পারার কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনাটি খুলে বলেন. তারপর বিনীতা বড়াল নিজের উদ্যোগে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে সমস্ত বকেয়া বিল পরিশোধ করে দিয়ে আসেন. আজকেই বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা এসে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় করে দিয়ে জান প্রণব মাঝির বাড়িতে. বাড়িতে বিদ্যুতের আলো জ্বলে উঠতেই সকলের মুখটা খুশিতে আলোকিত হয়ে যায়.
দিনমজুর প্রণব মাঝি বলেন, অনেকের কাছে বিষয়টি জানালেও কোন মানুষ পাশে এসে দাঁড়ায়নি. বিনীতা বড়াল আমার ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা ব্যবস্থা করে দিলেন. তার জন্য তার কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ.
বিনীতা বড়াল করোনার মধ্যে এবং আম্ফান ঝড়ের পরে প্রচুর সামাজিক কাজ করেছেন. কাটোয়া বিধানসভার মানুষের মুখে মুখে বিজেপি নেত্রী বিনীতা বড়ালের সমাজসেবার কথা শোনা যায়.
সমাজসেবিকা বিজেপি নেত্রী বিনীতা বড়াল বলেন, মানুষের সেবা করার জন্য বিজেপি করছি. প্রধানমন্ত্রী 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ, এর কথা বলেছেন. আমি পার্টির কোন পদে থাকি বা না থাকি তাতে কিছুই যায় আসে না. মানুষের সেবা করার থেকে কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না.
0 coment rios: