আগামী 28 ফেব্রুয়ারী ব্রিগেডে জনসমাবেশে রাহুল -প্রিয়াঙ্কার উপস্থিতিতে জোট বার্তায় প্রথম জামায়েত হবে. যদিও আজকে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় 193 আসনের মধ্যে 101আসনে লড়াই করবে বামফ্রন্ট এবং বাকী 92 টি আসনের লড়াইকরবে কংগ্রেস. বামফ্রন্টের বিমান বসু ও কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর উপস্থিতিতে এদিনের আসন রফা হয়. দ্বিতীয় দফা বৈঠকের পরই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়. সোমবার থেকেই চলছিল এই বৈঠক.
এই জোট কি শাসকদল তৃণমূল কে বেকায়দায় ফেলবেনা সুবিধা করে দেবে সেটা ভবিষ্যৎ বলবে.
উল্লেখ থাকে 2016 সালে বিধানসভা নির্বাচনে বাম কংগ্রেসের জোট কিন্তু তৃণমূলকে সুবিধা করে দিয়েছিল. সেইবার জোট 31 শতাংশ ভোট পেয়েছিল.তখন বিজেপি এতটা শক্তিশালী ছিল না সাংগঠনিকভাবে.
তবে 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন ত্রিমুখী লড়াই হতে হতে চলেছে কিছু কিছু জেলায় সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না.
বাকি 101 আসনে এখনো রফা হয়নি. মালদা মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেসের শক্তি থাকার কারণে বাঁকে 101 টি আসনের মধ্যে কংগ্রেসের ভাগে পড়তে পারে কিছু বেশি আসন. ঘর গোছানোর প্রক্রিয়ায় বাম-কংগ্রেস অন্যদলের থেকে আগে এগিয়ে গেল পরিস্থিতি অনুযায়ী. তবে বাংলার মানুষ এই জোটকে 2016 সালে প্রত্যাখ্যান করেছিল. বামফ্রন্টের ভোট 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল বিজেপির মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যায়. তৃণমূল প্রায় 2 শতাংশ ভোট বৃদ্ধি করেছিল গত লোকসভা নির্বাচনে.যদিও তাদের আসন সংখ্যা কমে যায়. বিজেপি এক ধাক্কায় 18 লোকসভা আসন দখল করে. এই লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়. বামেদের হিন্দু ভোটের সিংহভাগ পেয়েছিল বিজেপি মুসলিম ভোটের সিংহভাগ পেয়েছিল তৃণমূল. বামেদের যে হিন্দু ভোটার বর্তমানে বিজেপিতে চলে গেছে তারা কি পুনরায় জোটের দিকে নজর দেবে. এটাই কোটি টাকার প্রশ্ন. তবে পুরনো বিজেপি নেতৃত্ব শাসক দল তৃণমূল থেকে আসা কিছু কিছু নেতৃত্বকে মেনে নিতে পারছে না. যেটা বিজেপিকে চাপে রাখতে পারে. সঠিক প্রার্থী নির্বাচন বিজেপি করতে না পারলে সে ক্ষেত্রে জোটের সুবিধা হবে কিছু কিছু বিধানসভা আসনে.
0 coment rios: