4) সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এর নাম এই বিধানসভা থেকে ভেসে আসছে প্রার্থীর দৌড়ে.5)তরুণজ্যোতি তেওয়ারির নামও আসছে কর্মীদের মুখ থেকে. এছাড়াও আরও অনেক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও তাদেরকে সম্ভাব্য তালিকায় আনা যাচ্ছে না. যদিও এখানে একটি নাম তালিকায় না থাকলেও তিনিও প্রার্থীর দৌড়ে আছেন. এখানে তৃণমূলের বিধায়ক অবনী মোহন জোয়ারদার আর জয়ের রাস্তায় ফিরে আসতে পারবে না. গত লোকসভা ভোট থেকেই তৃণমূলের এখানে সংগঠন দিন দিন ভেঙে পড়েছে.
আর কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভায় বিজেপি গত লোকসভা ভোটের নিরিখে 6724 ভোটে এগিয়ে ছিল. বিজেপি এখানে ভোট পেয়েছিল 82 হাজার 781. তৃণমূল পেয়েছিল 76 হাজার 057 ভোট. সিপিএম পেয়েছিল 15হাজার 584 ভোট এবং কংগ্রেস 5681 ভোট. এই বিধানসভার জোট তৃণমূল বিজেপি দুই দলের কাছেই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে. এখানে জোট লোকসভার নিরিখে ভোট বিশ্লেষণ করলে দেখা যেতে পারে প্রায় 21 হাজার ভোট পেয়েছিল গত লোকসভা তে.
এখানে ভুল প্রার্থী নির্বাচন বিজেপিকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে. এই বিধানসভা আসনে অনেক বিজেপি নেতারা প্রার্থী হতে চেয়ে আবেদন করে বসে আছে. সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় প্রায় 50 জনের নাম শোনা গেলেও মূলত 5/6 জনের নাম ঘোরাঘুরি করছে সেগুলি হল.
1) সুনিল পাল (কেষ্ট পাল ). এই ব্যক্তি মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ বলে জানা যায়. 2) মহাদেব সরকার. ইনি বর্তমানে রাজ্য কিষান মোর্চার সভাপতি ও 2016 সালের বিজেপি প্রার্থী.3) অলোক কুমার কুন্ডু. ইনি বর্তমানে রাজ্য কমিটির সদস্য ও একটি জেলার অবজারভার
4) রঞ্জন অধিকারী. তিনি বর্তমানে জেলার সাধারণ সম্পাদক.5)পলাশ বিশ্বাস. এদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরাঘুরি করলেও এর বাইরে থেকেও প্রার্থী হতে পারে. তৃণমূলের মন্ত্রী তথা এই বিধানসভার বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন সাধন পাড়া পঞ্চায়েত এর প্রধান রতন ঘোষ.এই বিধানসভা আসন হয়তো আর তৃণমূল জিততে পারবেনা এই বিধানসভা নির্বাচনে.
0 coment rios: