2011 সালের নির্বাচনে সুশীল বিশ্বাস এখান থেকে ভোট পেয়েছিলেন 96 হাজার 550 ভোট. আর সিপিএমের বরুণ বিশ্বাস এখান থেকে ভোট পেয়েছিলেন 75 হাজার 616 ভোট. অর্থাৎ প্রায় কুড়ি হাজার ভোটে এখান থেকে জিতেছিলেন সুশীল বিশ্বাস. কিন্তু তার মৃত্যুতে 2015 সালে আবার উপনির্বাচন হয়. এই উপনির্বাচনে সত্যজিৎ বিশ্বাস বিজেপির মানবেন্দ্র রায় কে পরাজিত করে বিধায়ক হয়েছিলেন. 2015 উপনির্বাচনে সত্যজিৎ বিশ্বাস পেয়েছিলেন 95 হাজার469 ভোট. বিজেপির মানবেন্দ্র রায় পেয়েছিলেন 58 হাজার 436 ভোট.
2016 সালে বিধানসভা নির্বাচনে সত্যজিৎ বিশ্বাস পেয়েছিলেন 1 লক্ষ 14 হাজার 626 ভোট. সিপিএমের মৃণাল বিশ্বাস পেয়েছিলেন 70 হাজার 698 ভোট. বিজেপি সুজিত কুমার বিশ্বাস পেয়েছিলেন 17 হাজার 741 ভোট. কংগ্রেসের নিত্যগোপাল বিশ্বাস পেয়েছিলেন 4 হাজার 175 ভোট.
অর্থাৎ এক বছর আগের উপনির্বাচনে বিজেপি মানবেন্দ্র রায় 58 হাজার ভোট পাওয়ার পরেই 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রায় 50 হাজার ভোট কম পেয়েছিল এখানে. আবার উপনির্বাচনের সাক্ষী হতে হয় সকলকে.
অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হন সরস্বতী পুজোর দিন বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস. 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে উপনির্বাচনে হয় এই কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা আসনের.
2019 সালে উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী আশীষ কুমার বিশ্বাস এখান থেকে 1লক্ষ 17 হাজার 716 ভোট পান. মোট ভোটের প্রায় 53 শতাংশ. আর তৃণমূলের প্রমথরঞ্জন বোস 86 হাজার 850 ভোট পান. এখানকার বিধানসভার মোট ভোটের 39 শতাংশ. সিপিএমের মৃণাল বিশ্বাস পান 11 হাজার 646 ভোট. যা মোট ভোটের 5%. 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচনের থেকে প্রায় 28 শতাংশ কম ভোট পান মৃণাল বিশ্বাস. আর কংগ্রেসের বিজয় বিশ্বাস পান 3 হাজার 109 ভোট.
এইযে ভোটের গোলমেলে সমীকরণ কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক পর্যন্ত হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার আগামীদিনের সমীকরণ ঠিক করতে. এখানকার নির্বাচন বা উপনির্বাচনের ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে একটা জিনিস স্পষ্ট যে সঠিক প্রার্থী নির্বাচন সব দলের দলের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হতে চলেছে. তাই সঠিক পথ নির্বাচন করতে না পারলে সব দলের ক্ষেত্রেই জয়-পরাজয় হতে পারে. যদিও সারা রাজ্যে বিজেপির হাওয়া বইলেও সার্ভে থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট হয়ে উঠে এসেছে যে করোনা ও আম্ফান পরবর্তী সময়ে যারা রানিং বিধায়ক এবং সাংসদ আছেন তাদের নিজ নিজ এলাকায় প্রত্যেকের ভোট কমতে পারে. সে যে দলেরই হোক না কেন. কারণ এই দুর্যোগের সময় তারা সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে. সে তৃণমূল হোক বা বিজেপি হোক বা সিপিএম বা কংগ্রেস হোক. প্রত্যেক রানিং বিধায়ক এবং সাংসদদের নিজে নিজে জায়গায় ভোট কমতে পারে.
জনমত সমীক্ষায় আমাদের সার্ভেতে উঠে এসেছে এই বিধানসভায় সিপিএম- কংগ্রেস এর জোট তৃণমূল বিজেপি দুই দলকেই সমস্যায় ফেলতে পারে.
রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ আশীষ কুমার বিশ্বাস 2009 উপনির্বাচনে এখান থেকে জয়ী হলেও সেভাবে তিনি কর্মী এবং সাধারণ মানুষের মন জয় করে উঠতে পারেননি. তবুও দলীয় সাংগঠনিক ক্ষমতার জোরে তিনি হয়তো প্রার্থী হলে দ্বিতীয় বার জিতে যেতে পারেন. কিন্তু সংশয় ও থেকে থেকে যাচ্ছে. অনেক দলীয় নেতা নেত্রীর কাছে তিনি প্রিয় পাত্র হিসেবে হয়ে উঠতে পারেননি. ব্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন তার রাজনৈতিক জীবনে পড়েছে. দল হয়তো তাকে প্রার্থী করতে পারে.কিন্তু জনমত সমীক্ষায় তিনি অটোমেটিক চয়েস নন বিজেপির প্রার্থীর দৌড়ে.
এই বিধানসভা থেকে জনমত সমীক্ষায় প্রার্থীর দৌড়ে সবার উপরে নাম উঠে আসছে ডক্টর মুকুটমণি অধিকারীর.তিনি রানাঘাট লোকসভার প্রার্থী হতে হতে শেষ মুহূর্তে হতে পারেননি. 2021 বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার প্রার্থী নির্বাচন পার্টির কাছে একটি চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে.
তৃণমূল হয়তো প্রমথরঞ্জন বোসকে বা রুপালি বিশ্বাস কে প্রার্থী করতে পারে কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভায়.
এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে জনমত সমীক্ষায় কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা যারা যারা বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীর দৌড়ে রয়েছেন তারা হলেন.
1) ডাক্তার মুকুটমণি অধিকারী. তিনি সান্তনু ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ হিসাবে ও জগন্নাথ সরকার বিরোধী গোষ্ঠীর লোক বলে পরিচিত. মতুয়া মহাসঙ্ঘের নদীয়া জেলার তিনি সভাপতি.যদিও তার প্রার্থী হওয়ার জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে আইনগত কারণে.
2)নিউটন সরকার. তিনি রাজ্য তপশিলি মোর্চার সদস্য ও মুর্শিদাবাদ দক্ষিণ জেলা তপশিলি মোর্চার অবজারভার.
3) প্রভাস বিশ্বাস. শান্তনু ঠাকুর ঘনিষ্ঠ এবং ওয়েস্টবেঙ্গল গভমেন্টের একজন WBCS অফিসার.
4)অশোক বিশ্বাস. তিনি নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা কিষান মোর্চার সভাপতি.
5) প্রিয়াঙ্কা মন্ডল. নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সম্পাদিকা তিনি.
দল যদি রানিং বিধায়ককে প্রার্থী করে সে ক্ষেত্রে আর কেউ প্রার্থী হতে পারবেন না এখানে.
তবে এই বিধানসভায় তৃণমূল বিজেপির জমজমাট লড়াই হতে চলেছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না.
Akhane bola ace sir Ashish Biswas sadharon manuser janopriyota panni but ata quite right akhane anek bapar ache partyr kichu netritto take andhokare rekhe nijerai party k chaluyechhen take samnei aste anek badhar sammukhin hote hoyece.take na janiye hatath mondol president change aro anek kichu hoyece.tini by election a jeta MLA r gv.ace tmc gvt.tao tini anek kaj korece jegulo hayto camera bondhi hayni.r 10 mas covid poristhitite tini nijer theke tar sadhyo Moto sadharon manuser pase ase dariyece .r experience ar Katha bolte gele akhane anekei acen candidate ar name a tarao natun bjp te r akjon to bjp hhoye kaj e karenni only matuya hoye ace . candidate ar best choice Ashish Biswas ta to aro Akbar chance deoa uchit .
ReplyDeleteযারা বলে বেড়াচ্ছেন mla স্যার কোনো কাজ করেনি তাদের বলতে চাই উনি by election a জিতেছেন আর সরকার টা tmc.স্যার তার সাধ্যমতো অনেক কাজ করেছেন অনেক জায়গাতেই টিউবওয়েল দিয়েছে রাস্তা করে দিয়েছে অঙ্গনওয়ারী স্কুলের সংস্করণ করেছেন আরও তো কত লোকের পাশে গিয়ে দাড়িয়েছিল করোনা পরিস্থিতি তে ।আর সরকারি যেসমস্ত জামা কাপড় শীতবস্ত্র ট্রিপল যা এসছে তা সবটাই মানুষের মধ্যে দিয়ে দিয়েছেন।আর যেখানেই কোনো অসুস্থ মানুষ কে দেখতে গেছেন তার জন্য ফল সাধ্যমতো চিকৎসার টাকাও দিয়েছেন।তিনি সত্যিই মানুষের জন্য কাজ করেন ।শুধু তার কাজ গুলো ক্যামেরা বন্ধি কম হয় তাই কিছু লোক তার সম্পর্কে এসব অপপ্রচার চালিয়ে বেড়ায় যে উনি কাজ করেননা।তাদের বলছি আপনারা একটু ভেবে দেখুন এখন কি কাউকে ব্যাবসা করতে গেলে চাঁদা বা যেটাকে আমরা হপ্তা টাকা বলি সেটা কি দিতে হচ্ছে? এখন কি krishnaganj এ গন্ডগোল হচ্ছে নাকি মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারছে একটু ভালো করে ভেবে দেখুন।উনি কি পারতেননা ১০ টা যুবক ছেলেদের কে টাকা দিয়ে কাজে লাগিয়ে গুন্ডামি করতে কিন্তু তিনি কখনোই চাননা তাদের জীবনটা নষ্ট হয়ে যাক।আমাদের ভাগ্য ভালো যে আমরা ওনার মত একজন সৎ সুশিক্ষিত ভদ্র মানবতা পূর্ণ ব্যক্তিকে বিধায়ক হিসাবে পেয়েছি।যারা শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ যারা শান্তিতে বসবাস করতে চান তারা আবার এই বিধায়ক স্যার কেই চাইবেন ।। স্যার আশীষ বিশ্বাস জিন্দাবাদ
ReplyDelete