271 কেতুগ্রাম বিধানসভার বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে গত লোকসভা ভোটে তৃণমূল এখানে এগিয়ে থাকলেও আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমান তালে টক্কর দিতে প্রস্তুত বিজেপি নেতৃত্ব.
2016 সালে বিধানসভা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করলে একটা জিনিস স্পষ্ট হয়ে উঠে আসছে শেখসাহানাজ হোসেন এখান থেকে পেয়েছিলেন 89 হাজার 441 ভোট. সিপিএমের আবুল কাদের সৈয়দ পেয়েছিলেন 80 হাজার 712 ভোট, বিজেপি বঙ্কুবিহারী ঘোষ পেয়েছিলেন 16 হাজার641 ভোট. 2016 সালে বিজেপি এখানে তৃতীয় স্থানে ছিল. সিপিএম ছিল বিরোধী. আর 2019 সালে সে চিত্রটা পাল্টে গিয়ে সিপিএম তৃতীয় স্থানে চলে যায় আর বিজেপি উঠে গেছে দ্বিতীয় স্থানে.
2019 লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল এখানে পেয়েছিল 1লক্ষ 2 হাজার 679 ভোট. বিজেপি পেয়েছিল 75 হাজার 165 ভোট. সিপিএম পেয়েছিল 14 হাজার 034 ভোট এবং কংগ্রেস পেয়েছিল 4982 ভোট.
কেতুগ্রাম বিধানসভার 291 ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রায় 30% বুথ স্পর্শকাতর.
এই বিধানসভায় 100% মানুষ গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করেন.বিধানসভার মোট জনসংখ্যা 3 লক্ষ 22 হাজার 422 জন.
2011 সাল পর্যন্ত এই বিধানসভা আসন তপশিলি সংরক্ষিত ছিল. বর্তমানে আসনটি জেনারেল. এই বিধানসভায় 30.36 শতাংশ SC ভোটার ও 0.89 শতাংশ ST ভোটার.
কেতুগ্রাম বিধানসভার প্রথম বিধায়ক ছিলেন তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়. তিনি HMS দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছিলেন .
এখন দেখার কোন দল কাকে প্রার্থী করেন. শাসক দল তৃণমূল হয়তো তাদের প্রার্থী পরিবর্তন করবে না এই বিধানসভা থেকে. যিনি আছেন তিনি হয়তো আগামী বিধানসভায় তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন.
জনমত সমীক্ষায় প্রার্থীর দৌড়ে বিজেপির মধ্যে যারা রয়েছেন তারা হলেন
1) বিমল অধিকারী, তিনি বর্তমানে জেলা সম্পাদক, এবং দীর্ঘদিনের বিজেপি লড়াকু নেতৃত্ব. এর আগে তিনি এই জেলার তপশিলি মোর্চার সভাপতি ছিলেন. তিনি প্রার্থীর দৌড়ে জনমত সমীক্ষায় উপরের দিকে থাকবেন.
2) এরপরে নাম উঠে আসছে চাঁদ সাহার. তিনি জেলার সহ-সভাপতি.
3) এরপরে উঠে আসছে অনাধী ঘোষের নাম. তিনি বর্তমানে জেলা কমিটির সম্পাদক পদে আছেন.
4)অনিল দত্তের নাম শোনা যাচ্ছে এই বিধানসভা থেকে.
5) রামকৃষ্ণ বৈরাগ্যের নামও শোনা যাচ্ছে প্রার্থীর জন্য.
তবে বিজেপি দল কাকে টিকিট দেয় সেটাই দেখার বিষয়.
এবার সিপিএম কংগ্রেসের জোট এই বিধানসভায় ভালো প্রার্থী দিতে পারলে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে এখানে.
0 coment rios: