তাছাড়া ছাত্র-যুব মতুয়া সেনার পক্ষ থেকেও তনময় বিশ্বাস একটি নোটিশ জারি করে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ করেন যে 20 শে ফেব্রুয়ারি কলকাতায় কোন মতুয়া সমাবেশ হচ্ছে না.
তাহলে এদিনের সমাবেশে কারা এরা. কোন মতুয়া এরা.
তাহলে সহজ সরল অবুজ মতুয়ারা মতুয়া মহাসঙ্ঘের নির্দেশ অমান্য করে আজকের রানী রাসমণি রোডে হাজির হয়েছিলেন.
তাহলে কি ধীরে ধীরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর এর প্রতি মতুয়াদের শ্রদ্ধা কমতে শুরু করেছে. শান্তনু ঠাকুর বিজেপি সাংসদ. ঠাকুরনগরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ এর উপস্থিতিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হরি মন্দিরের উদ্বোধন করে গেলেন অমিত শাহ.কিন্তু আজকের সমাবেশে কিন্তু উপস্থিত থাকলে না. উল্টো মতুয়া মহাসঙ্ঘের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেওয়া হয়েছে দুই দুইবার.
তারপরও সেই সমাবেশ থেকে বিজেপি নেতাদের উপস্থিতি এবং তাদের বক্তব্য দিতে দেখা গেছে. এ দিনের মতো সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন,
সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিজেপি সর্বদা কাজ করে চলেছে. মতুয়া উদ্বাস্তু সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ যাতে সমাজের মূল স্রোতে থাকতে পারে তার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি.
রাজ্য তপশিলি মোর্চার সভাপতি ও বাগদার বিধায়ক দুলালচন্দ্র বর, সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, মতুয়ারা কারোর পৈত্রিক সম্পত্তি নয়, মতুয়া গোঁসাই পাগল রাই তাদের নেতা বাছাই করবে.
এদিনের সমাবেশে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মতুয়া গোসাই বলেন,
শান্তনু ঠাকুর ঠাকুরনগরের সমাবেশ থেকে অমিত শাহ এর সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একটিবারও জয় হরিবোল বলেননি. তিনি তিনবার ভারত মাতা কি জয় বলেছেন. অথচ একটিবারও তিনি জয় হরিবোল বলতে পারেননি. তিনি আমাদের সেনাপতি হয়েছেন. সেনাপতির কাজ সেনাদের পরিচালনা করা. কিন্তু তিনি মতুয়া সেনাদের নিয়ে যে খেলায় মেতেছেন সেটা অচিরেই শেষ হয়ে যাবে. তিনি বলছেন রাজনীতিমুক্ত ঠাকুরবাড়ি করতে হবে. কিন্তু ঠাকুরনগরে অমিত শাহের মূল মঞ্চে তার পরিবারের সকলেই উপস্থিত ছিলেন.শান্তনু ঠাকুর মুখে বলছে রাজনীতি মুক্ত করতে হবে ঠাকুরবাড়ি কিন্তু বাস্তবে করছেন তার উল্টোটা. বাড়ির সকলকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছেন.
সেদিন তিনি ভোটে দাড়িয়ে বলেছিলেন - সমস্ত মতুয়া গোসাই পাগলদের কথা রাখার জন্য কথাই আমি ভোটে দাড়ালাম. এখন মতুয়ারা চাইছেন ঠাকুরবাড়ির আর কেউ রাজনীতির ময়দানে না আসুক. শান্তনু ঠাকুর কথা দিয়েছিলেন রাজনীতিমুক্ত ঠাকুরবাড়ি করবেন. তিনি তার কথা রাখুন এটাই মতুয়াদের চাওয়া পাওয়া. আর নাগরিকত্বের বিষয়টি বিজেপি দেখবে.
0 coment rios: