নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মতুয়া গোসাই দলপতি যিনি মমতা বালা ঠাকুর বা শান্তনু ঠাকুর কোন গ্রুপেরই গোসাই নন.তিনি বলেন, গুরুচাঁদ ঠাকুর বলে গিয়েছিলেন খাও বা নাখাও ছেলে মেয়েকে শিক্ষা দাও. আরো বলেছিলেন আমাদেরকে রাজশক্তি দখল করতে হবে. সেই রাজ শক্তি যদি আমাদের জাতির মানুষেরা দখল করতে না পারে তাহলে হবে কি করে ? তিনি তো একথা বলে যাননি, যে শুধু ঠাকুরবাড়ির বংশধররাই রাজশক্তি দখল করবে. আমাদের জাতির অন্য কেউ নয় .তাইতো যদি আমাদের জাতির কেউ সুযোগ্য সন্তান রাজ শক্তি দখল করতে চায় তাহলে তাকে সহযোগিতা করা আমাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে. তাইতো আমি ডাক্তার সজল বিশ্বাস কে সমর্থন করছি. কিন্তু দয়া করে আমার নামটা লিখবেন না.
ডাক্তার সজল বিশ্বাস আরো বলেন, লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় লক্ষ লক্ষ লোকের সামনে হরিলীলামৃত ছুঁয়ে শপথ করে শান্তনু ঠাকুর বলেছিলেন তিনি ভোটে দাঁড়াবেন না. তারপরও তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন. তিনি তখন বলেছিলেন মতুয়া গোসাই পাগলদের কথা রাখতে গিয়ে তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন.
কিন্তু এখন কেন তিনি নিজের দাদাকে বিধানসভা ভোটে দাঁড় করালেন. এখন তো কোন গোঁসাই পাগল বলেনি সুব্রত ঠাকুরকে ভোটে দাঁড়ানোর জন্য. তাহলে তিনি কেন গাইঘাটা বিধানসভায় এবার ভোটে দাঁড়ালেন.
তাছাড়া শান্তনু ঠাকুর মতুয়া সেনা গঠন করার সময় বলেছিলেন রাজনীতিমুক্ত ঠাকুরবাড়ি করতে হবে. প্রকাশ্যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে সেদিন শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছিলেন শান্তনু ঠাকুর যে মতুয়ারা রাজনীতিতে প্রবেশ করবে না.
তাহলে কি আমরা ভেবে নেবো রাজনীতি শুধু ঠাকুরবাড়ির লোকেই করবে.
মতুয়া গোঁসাই পাগল দের নিয়ে যে নোংরা রাজনীতি শান্তনু ঠাকুর করছেন. সেটা কিন্তু মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছে না মতুয়া ভক্তরা.
আমি রাজনীতিতে প্রবেশ করেছি নরেন্দ্র মোদী ও হিন্দুত্বের জন্য. আমি একজন মতুয়া উদ্বাস্তু সম্প্রদায়ের মানুষ. আমি সমস্ত গাইঘাটার মানুষকে অনুরোধ করবো আমাকে একটিবার সুযোগ দেওয়া হোক. আমি যদি নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাড়িয়ে জিততে পারি তাহলে আমি সরাসরি বিজেপিকে সমর্থন করবো. ঠাকুরবাড়ি কে করবো রাজনীতি মুক্ত.
0 coment rios: