গ্রামবাসীরা লিখিতভাবে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, জেলা পরিষদের সভাধিপতির কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি. বর্তমানে তারা রানাঘাটের সংসদ জগন্নাথ সরকারের শরণাপন্ন হয়েছেন. জগন্নাথ সরকার আশ্বাস দিয়েছেন, বিধানসভা ভোটের পরেই এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেরামত শুরু হবে.
এখানকার স্থানীয় গ্রামবাসী আশু মন্ডল বলেন, এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রীয় আগে চোখের ডাক্তার আসতেন. আগে স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত এখানে বসতেন. এই গ্রামে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে এই চিকিৎসাকেন্দ্র চালানো হচ্ছে. সপ্তাহে একদিন এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উপস্থিত হতে দেখা যায় একজন কে.
রানাঘাট লোকসভার সাংসদ তথা শান্তিপুর বিধানসভার বিজেপির প্রার্থী জগন্নাথ সরকার স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশা সেটা প্রমান করে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ হয়ে পড়ে আছে. রাজ্য সরকার কোন ভ্রুক্ষেপ নিচ্ছে না. এটাই এগিয়ে বাংলা নমুনা. বাংলা এগিয়ে গেছে ধর্ষণে,নারী পাচারের, কাটমানিতে, সেন্টিকেটে, রাজ্যের ঘাড়ে ঋণের বোঝা ইত্যাদিতে.
এটা মা মাটি মানুষের সরকার নয়. মমতা ব্যানার্জি বাংলার গর্ব নয় তিনি বাংলা লজ্জা বলে আমি মনে করি. মানুষ খুনের রাজনীতি করেছে এই সরকার. তোষণের রাজনীতি করেছে সরকার. প্রকৃত উন্নয়ন করেনি এই মা মাটি মানুষের সরকার.
0 coment rios: