সেই কর্মসূচি কে সামনে রেখে বনগাঁ জেলা যুব মোর্চার পক্ষ থেকে বনগাঁ মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দেওয়া হয়.
যুব মোর্চার কর্মসূচিকে সফল করার জন্য সহযোগিতা করেন জেলা মহিলা মোর্চা.
কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে মহকুমা শাসকের অফিস থেকে মাত্র 50 জন জমায়েতে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল.
সেইমতো যুব মোর্চা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এই কর্মসূচি করেছে .
আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সঞ্জীব চৌধুরী, বনগাঁ জেলার পর্যবেক্ষক প্রসেনজিৎ ভৌমিক রাজ্য কমিটির সদস্য অজয় ঘোষ , যুব মোর্চার সহ-সভাপতি গোবিন্দ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সৌমেন সরকার, জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রবীর রায়, সহ-সভাপতি জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ, রামপদ দাস, অমৃত লাল বিশ্বাস,জেলা সম্পাদক অর্ণব সুর, গত বিধানসভার স্বরুপনগর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বৃন্দাবন সরকার, বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক স্বপন মজুমদার, মন্ডল সভাপতি শোভন বৈদ্য, জেলা মহিলা মোর্চা সাধারণ সম্পাদিকা প্রিয়াংকা সাহা, বনগাঁ পৌর মন্ডলের দুজন মহিলা মোর্চা সভানেত্রী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব.
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, বনগাঁ উত্তর বিধানসভার বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া ও বাগদা বিধানসভার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস কে আজকের ডেপুটেশনে দেখা যায়নি.
বেশ কিছুদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে দলীয় কার্যক্রমে বিধায়কদের অনুপস্থিতি.
0 coment rios: