Wednesday, 25 August 2021

আজ বিজেপির হেস্টিংস কার্যালয়ে উত্তর 24 পরগনা জেলার কার্যকর্তাদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, হেস্টিংস,দৃষ্টি বাংলা - আজ বিজেপির রাজ্য নির্বাচনী কার্যালয় হেস্টিংস পার্টি অফিসে উত্তর 24 পরগনা জেলার কার্যকর্তাদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়েছিল. বনগাঁ বারাসাত বসিরহাট ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার কার্যকর্তাদের নিয়ে আজকের এই বৈঠক.
মূলত সাংগঠনিক আলোচনা ছিল আজকের এই বৈঠকে. বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিব প্রকাশ, দিলীপ ঘোষ, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, শান্তনু ঠাকুর, অর্জুন সিং, প্রতাপ ব্যানার্জি, বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী, দুলাল বর,  দেবাশীষ মিত্র সহ রাজ্য স্তরের অন্যান্য নেতৃত্ব. এছাড়া় উপস্থিত  ছিলেন এই জেলার জয়ী কিছুু   বিধায়করা. উপস্থিত ছিলেন বনগাঁ  দক্ষিণ বিধানসভা স্বপন মজুমদার,  ও গাইঘাটা বিধানসভার সুব্রত ঠাকুুর. কিন্তু বনগাঁ,  বাগদা ও কল্যাণী বিধানসভার বিধায়কদের উপস্থিত লক্ষ্য করা যায়নিি. 
  
 যদিও সূত্রর থেকে জানা যায়, কল্যাণী বিধানসভার বিধায়ক অম্বিকা রায় তিনি দিল্লিতে আছে.  কিন্তু বনগাঁ উত্তর বিধানসভার বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া ও বাগদাা বিধানসভার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস কেন উপস্থিত ছিলেন না সে বিষয়ে জানা যায়নি. অনেকদিন ধরেই  বিশ্বজিৎ দাসকে  প্রকাশ্যে কোনো দলীয় প্রোগ্রামে দেখা যাচ্ছে না. যেটা  নিয়ে  বিজেপির কর্মীদের মধ্যে একটা কানাঘুষা চলছে.
 আজকের মিটিং এর  মূল বিষয় ছিল
 আগামী পৌর পৌর নির্বাচন ও ভোট পরবর্তী সংগঠনকে শক্তিশালী করা.
 তবে রাজ্য স্তরের নেতৃত্বের বক্তব্যের মধ্যে ফুটে উঠেছে বর্তমানে বুথ স্তরের সংগঠন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে.  সেটাকে শক্তিশালী করার জন্যই মূলত আজকের এই বৈঠক.
 সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে,  পুজোর আগেই রাজ্য স্তরের সংগঠন থেকে শুরু করে জেলা ও মন্ডল স্তরে সাংগঠনিক রদবদল অবশ্যম্ভাবী.
  বর্তমানে বিজেপি কর্মীরা যেভাবে দলটা করছে সেটা তাদের কাছে যন্ত্রণার. না পাচ্ছে তারা কেন্দ্রীয় সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা না রাজ্য স্তরের কোন প্রকল্পের সুবিধা.  বিশেষ করে নীচু স্তরের কোন কর্মী বিপদে পড়লে তার আর যন্ত্রণার শেষ থাকছে না.বুথ স্তরের এক কার্যকর্তা বলেন,পেটে গামছা বেঁধে তো দেশ ভক্তির কথা মাথায় আসে না. তৃণমূল যেভাবে তাদের কর্মীদের আগলে রাখছে বিভিন্নভাবে. বিজেপি কিন্তু সেভাবে তাদের কর্মীদের আগলে রাখতে পারছে না. এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজর দেওয়া প্রয়োজন. বিজেপি করার ফলে সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা থেকেনিচু স্তরের কর্মীরা  বঞ্চিত হচ্ছে.  তারা যখন কোন বিপদে পড়ছে তখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর মত নেতার অভাব দেখা দিচ্ছে বর্তমানে.
 কর্মীদের বিপদের সময় তৃণমূল যেভাবে তাদের কর্মীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে সেটা দেখে বিজেপির শেখা উচিত.  তবে যেভাবে দল চলছে এইভাবে চলতে থাকলে বর্তমানে রাজ্যে শক্তিশালী তৃণমূলকে টক্কর দিয়ে মোটেই সম্ভব হবেনা এই বিজেপির পক্ষে.

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: