রীতিমত বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে চলছে এই টাকা আদায়ের কাজ। আগে লাইন পাওয়ার জন্য ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে দালালদের। প্রকাশ্যে চলছে এই দালালি।
প্রশাসনের নজর এড়িয়ে যেভাবে এই আঁধারের দালালি চলছে এই ইন্ডিয়ান ব্যাংকে সেটা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে।
যেখানে শিশুদের আধার কার্ড করতে কোন টাকাই লাগে না সেখানে এই ব্যাংক থেকে ১২০ কোটি টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। মোবাইল নাম্বার লিঙ্ক করতে ৫০ টাকা লাগে সেখানে এই ব্যাংক থেকে নেওয়া হচ্ছে ৭০ টাকা। বাচ্চাদের বায়োমেট্রিক করতে যেখানে ১০০ টাকা লাগে। এমনকি পাঁচ বছর তিন মাস পর্যন্ত ফ্রিতে বায়োমেট্রিক করা হয়। সেখানে নেওয়া হচ্ছে ১৭০ টাকা।
বায়োমেট্রিক করতে গেলে যেখানে মোবাইল নাম্বার ফর্মে দেওয়া বাধ্যতামূলক। সেখানে মোবাইল নাম্বার না বসিয়ে বায়োমেট্রিক করে দিচ্ছে। নতুন করে মোবাইল নাম্বার বসানোর জন্য আবার ৭০ টাকা করে নিচ্ছে।
শুধু তাই নয় আধার এনরোলমেন্ট কাজ করার পর যারা গ্রাহক আছেন তাদের বলছে, আধার কার্ড অনেকদিন পরে বেরোবে কিন্তু আমার কাছে আসলে আমি এখান থেকে বের করে দেবো আমাকে ৬০ টাকা করে দিতে হবে।
ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠছে যিনি এনরোলমেন্ট এর কাজ করছেন সেই তৌফিক ইসলামের বিরুদ্ধে।
এই ব্যাংক এর রিকভারি এজেন্ট অনুপম দাস, ও রফিক আলী মল্লিক এর দৌলতে রম রম করে চলছে এই দালাল চক্র। শুধু তাই নয় রিকোভারি এজেন্ট অনুপম দাস খুবই সুকৌশলে ব্যাংক এর নিচে লোক রেখে ফর্ম ফিলাপ করে এই দালাল চক্র চালাচ্ছে প্রশাসনকে আড়ালে লেখে।
0 coment rios: