Tuesday, 6 June 2023

চাঁদা ইন্ডিয়ান ব্যাংক দালাল চক্রের মাধ্যমে চলছে আধার এনরোলমেন্ট

দীপশিখা ব্যানার্জী, বনগাঁ, দৃষ্টি বাংলা - চাঁদাবাজার ইন্ডিয়ান ব্যাংকে বেশ কিছুদিন হলো নিউ এনরোলমেন্টের কাজ শুরু হয়েছে। এখানে বায়োমেট্রিক সহ বিভিন্ন কাজ হচ্ছে। মোবাইল নাম্বার লিঙ্ক করতে ৭০ টাকা, বায়োমেট্রিক করতে ১৭০ টাকা, বাচ্চাদের নতুন আধার কার্ড করতে ১২০ টাকা,  আগে লাইন পাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা ও ফরম ফিলাপের জন্য ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। যিনি এনরোলমেন্ট এর কাজ করছেন অভিযুক্ত সেই রফিক আলী মল্লিক একটা সেন্টিগ্রেড রাজ  চালু করেছে ইন্ডিয়ান ব্যাংকে। যেখানে বিনা পয়সায় নতুন আঁধারের পরিষেবা পাওয়া যায় সেখানে পয়সার বিনিময় আধার পরিষেবা দিচ্ছে অভিযুক্ত রফিক আলী মল্লিক। শুধু তাই নয় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে তিনি প্রচন্ড পরিমাণে জাতি বিদ্বেষী। হিন্দু ছেলে-মেয়েদের নিউ এনরোলমেন্ট করতে গেলে সেখানে মোবাইল নাম্বার দিচ্ছে না। অথবা বায়োমেট্রিক করতে গেলেও মোবাইল নাম্বারে বসাচ্ছে না। আলাদা টাকা চাইছে মোবাইল নাম্বার বসাতে গেলে। 
 রীতিমত বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে চলছে এই টাকা আদায়ের কাজ। আগে লাইন পাওয়ার জন্য ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে দালালদের। প্রকাশ্যে চলছে এই  দালালি।
 প্রশাসনের নজর এড়িয়ে যেভাবে এই আঁধারের দালালি চলছে এই ইন্ডিয়ান ব্যাংকে সেটা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে।
 যেখানে শিশুদের আধার কার্ড করতে কোন টাকাই লাগে না সেখানে এই ব্যাংক থেকে ১২০ কোটি টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।  মোবাইল নাম্বার লিঙ্ক করতে ৫০ টাকা লাগে সেখানে এই ব্যাংক থেকে নেওয়া হচ্ছে ৭০ টাকা। বাচ্চাদের বায়োমেট্রিক করতে যেখানে ১০০ টাকা লাগে। এমনকি পাঁচ বছর তিন মাস পর্যন্ত ফ্রিতে বায়োমেট্রিক করা হয়।  সেখানে  নেওয়া হচ্ছে ১৭০ টাকা।
 বায়োমেট্রিক করতে গেলে যেখানে মোবাইল নাম্বার ফর্মে দেওয়া বাধ্যতামূলক। সেখানে মোবাইল নাম্বার না বসিয়ে বায়োমেট্রিক করে দিচ্ছে। নতুন করে মোবাইল নাম্বার বসানোর জন্য আবার ৭০ টাকা করে নিচ্ছে।
 শুধু তাই নয় আধার  এনরোলমেন্ট  কাজ করার পর যারা গ্রাহক আছেন তাদের বলছে, আধার কার্ড অনেকদিন পরে বেরোবে কিন্তু আমার কাছে আসলে আমি এখান থেকে বের করে দেবো আমাকে ৬০ টাকা করে দিতে হবে।
 ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠছে যিনি এনরোলমেন্ট এর কাজ করছেন সেই তৌফিক ইসলামের বিরুদ্ধে।
এই ব্যাংক এর রিকভারি এজেন্ট অনুপম দাস, ও রফিক আলী মল্লিক এর দৌলতে রম রম করে চলছে এই দালাল চক্র। শুধু তাই নয় রিকোভারি এজেন্ট অনুপম দাস খুবই সুকৌশলে ব্যাংক এর নিচে লোক রেখে ফর্ম ফিলাপ করে এই দালাল চক্র চালাচ্ছে প্রশাসনকে আড়ালে লেখে।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: