কিন্তু বর্তমান সময়ে বিজেপি সরকারের আমলে বিজেপি একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। সারা বিশ্বের পঞ্চম অর্থনৈতিক দেশ হিসাবে ভারতের উঠে আসা আমেরিকার কাছে শাঁখের করাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনার সময়কাল থেকে ভারতের অর্থনীতি এগিয়ে গেছে। কিন্তু করোনার সময় বিপরীত চিত্র দেখা গেছে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে। করোনার কারণে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতি একদম ভেঙে পড়েছে। আমেরিকা এবং চীনের মতন দেশের ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। সেখানে সে দেশে সরকার তাদের অর্থনীতিকে কোনমতেই চাঙ্গা করতে পারছে না। তারপর ইউক্রেন ও রাশিয়া যুদ্ধ বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু এই প্রভাব ভারতের অর্থনীতিকে এতটা গ্রাস করতে পারেনি যতটা করেছে আমেরিকা এবং চীনকে।
বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতি অবস্থা নির্ভর করে খনিজ তেল ও খাদ্য শস্য উৎপাদন এর উপর। আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতিশিখা না করে ভারত রাশিয়া থেকে যে অপরিশোধিত খনিজ তেল ক্রয় করে সেই তেল রিফাইন করে বিভিন্ন দেশের বেশি দামে বিক্রি করছে ভারত সরকার।
আজকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভারতের সঙ্গে যে বৈদেশিক বাণিজ্য করতে চাইছে সেটা ডলারকে বাদ দিয়েই ভারতীয় টাকায় করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকে বিভিন্ন দেশ থেকে অ্যাকাউন্ট খুলতে চাইছে।
আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারকে বাদ দিয়ে বস্ত অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় । সারা বিশ্বের প্রায় ১৮ কোটি দেশ ভারতে বস্ত্র একাউন্ট খুলতে চেয়ে আবেদন করেছে। যার মধ্যে ব্রিটেন জার্মানির সহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশ রয়েছে।
এইভাবে বিভিন্ন দেশ এগিয়ে আসছে ভারতীয় টাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেন করত। যার কারণে আমেরিকার কপালে চিন্তার ভাঁজ। ডলারের জায়গায় ধীরে ধীরে ভারতীয় টাকার মূল্য বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়নের দেশের কাছে সমতুল্য হয়ে উঠেছে। বিগত কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন দেশ তাদের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার হিসেবে ডলারকে গুরুত্ব দিত। এখন সেই জায়গায় ধীরে ধীরে ভারতীয় টাকা দখল করে নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতি শিকার না করে বিভিন্ন দেশ ভারতীয় টাকায় লেনদেন শুধু করায় ভারতীয় টাকার গুরুত্ব বেড়েছে বিশ্বের দরবারে। এভাবেই হয়ত ভারত ডলারকে সরিয়ে দিয়ে তাদের টাকাকে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারবে আগামী দিনগুলোতে।
0 coment rios: