Monday, 23 September 2024

কাঁচরাপাড়ায় বিবেকানন্দ কেন্দ্রের উদ্যোগে পালিত বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব দিবস



দৃষ্টি বাংলা -'বিবেকানন্দ কেন্দ্র, বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল, পচিমবঙ্গ প্রান্ত, একনাথ বিভাগ'-এর পক্ষ থেকে পালিত হল 'বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব দিবস'। গত ১১ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে 'বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব দিবস' হিসাবে পালন করা হয় সারা ভারত ও বিশ্বজুড়ে। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দের ১১ ই সেপ্টেম্বর স্বামী বিবেকানন্দ আমেরিকার শিকাগো শহরে 'বিশ্ব ধর্ম' সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সারা বিশ্বের সামনে হিন্দু ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সেই দিনটিকে স্মরণ করেই গতকাল পালিত হল বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব দিবস।

 এদিন অনুষ্ঠানের সূচনা হয় শান্তিপাঠ এবং ঐক্যমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে। প্রতি বছরের  মতো এবছরও বিবেকানন্দ কেন্দ্রের প্রতিটি শাখায় বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব দিবস উদযাপিত হয়েছে। সারা ভারতের সাথে তাল মিলিয়ে এবারই প্রথম কাঁচরাপাড়ায় পালিত হল বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব দিবস, 'বীজপুর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ সেবা সংঘ'-এ।

 এরপর প্রদীপ প্রজ্জলন করেন কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষিকা শ্রীমতী বুলা গাঙ্গুলী। স্বদেশ মন্ত্র পাঠ করেন অঙ্কিত বিশ্বাস। বিবেকানন্দ কেন্দ্রের বার্তা, মাননীয়া নিবেদিতা দিদির চিঠি পাঠ শোনান সমাজসেবী শিক্ষক ও দেশের মাটি কল্যাণ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী মিলন খামারিয়া।

অনুষ্ঠানে সমবেত গীত পরিবেশিত হয় এবং তার সাথে 'বিবেক বাণী' বলেন কোমল পাল আর ছোট্ট বোন ঐশীকি বিশ্বাস।

এদিন বিশেষ বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্বামী অচূত্যনন্দজী মহারাজ। তিনি বলেন,"স্বামী বিবেকানন্দ-এর বার্তা আমাদের ভারত ও  সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে। তাঁর দেখানো পথে আমাদের চরিত্র গঠন করতে হবে। শক্তিশালী মন ও শরীর গঠন দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র তথা বিশ্বের উন্নতি করা সম্ভব হয়।"

এই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী নীলাদ্রি শেখর পাল। তিনি বলেন,"স্বামী বিবেকানন্দ এমন একটি প্রদীপ, যার শিখায় সমগ্র বিশ্ব আলোকিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাঁর দেখানো পথে চলে আমাদের নিজেদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্মাণ করতে হবে। শিশুদের তাঁর শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে,যাতে তারা সুনাগরিক হতে পারে।"

অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শিক্ষক শ্রী অভিষেক দত্ত। ছোট্ট বোন শ্রীনিকা পালের কণ্ঠে শান্তি মন্ত্র দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন শমিত লাহিড়ী ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বিবেকানন্দ কেন্দ্র কাঁচরাপাড়ার সংযোজক রূপা চক্রবর্তী।  

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: