সেই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক উদয় বিশ্বাস সহ ইস্কুলের সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকা ও পাশের বলদাহ জুনিয়র হাই স্কুল ও এফ পি স্কুলের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সুভাষ বাবুকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় বিভিন্ন শিক্ষকদের তরফ থেকে। ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকেও শিক্ষক মশাইকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন ও বিভিন্ন মানপত্র তুলে দেওয়া হয়।
তুমি তার কুড়ি বছর প্রায় চাকরি জীবনে তিনবার স্কুল পরিবর্তন করেছেন।
অ্যাসিস্ট্যান্ট মা সহকারী শিক্ষক হিসাবে ২৮ শে ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে বেড়াচাঁপা সার্কেলের রাজউবের এফ পি স্কুলে।
তারপরে তিনি ওই সার্কেলের মধ্যেই পরের বছর পাঁচই অক্টোবর ২০০৫ সালে নবারুণ এপ্রিল স্কুলে জয়েন করেন।
সর্বশেষ তিনি ২০০৯ সালের ২৪ শে নভেম্বর এরোপোতা স্কুলে জয়েন করেছিলেন প্রধান শিক্ষক হিসেবে। এই স্কুলটা বনগাঁ সার্কেল টু এর মধ্যে পড়ে।
আজ ৩১শে আগস্ট তার চাকরি জীবনে শেষ দিন ছিল। সেই উপলক্ষে শিক্ষকদের তরফ থেকে সুকুমার বাবুকে ফেয়ার ওয়েল দেওয়া হয়।
স্কেলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক উদয় বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে আমার স্কুলের সুভাষদা সহ 9 জন শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ১৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে ।সুভাষ দেখে স্কুলের সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা মিস করবে, পাশাপাশি আমার স্কুলের সমস্ত সহকারী শিক্ষক শিক্ষিকারা তাকে দারুন ভাবে মিস করবে। তিনি ছিলেন অজাত শত্রু। এই গ্রামের প্রত্যেকটি গ্রামবাসীর কাছে তিনি খুবই ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যদিও তিনি খুবই ভালো মানুষ। আমরা আশা করব বাকি জীবন তিনি সুস্থ সবল জীবন ধারণ যেন করতে পারে। আমরা সুভাষদা কে অনুরোধ করবো মাঝে মাঝে বিদ্যালয়ে আসতে যদি তার ভালো না লাগে। আমরা জোর করব না তাকে।
পাশের জুনিয়র হাই স্কুল এর প্রধান শিক্ষক পবির কুমার ঘোষ বলেন, শিক্ষক জীবনের এই ফেয়ারওয়েলর অনুষ্ঠান খুবই কষ্টকর ব্যাপার। যেটা ভাষা দিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করা যায় না। যাহোক চাকরির নিয়ম। অবসর সকলের নিতেই হবে। কালের নিয়মে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। সুভাষ বাবুর বাকি জীবনে সুস্থতা কামনা করি। তিনি তার পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করুন এটাই ঠাকুরের কাছে কামনা করি।
0 coment rios: