সনাতনী মানুষের মধ্যে জাত পাত, সামাজিক বৈষম্য, সনাতনী মানুষের কর্ম জীবনের পেশা নিয়ে যাতে বিভেদ গড়ে না উঠে সেটা নজরে রাখা এবং সনাতনী সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সনাতনী ডেভেলপমেন্ট বোর্ড কাজ করছে। বনগাঁ বিধানসভার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মতুয়া দলপ্রতিদের ধুতি পাঞ্জাবি গামছা দিয়ে এবং পূজারী - পুরোহিতদের ধুতি পাঞ্জাবি নামাবলি দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়.
এছাড়া সনাতনী সমাজের মানুষের উন্নয়নের জন্য যে সমস্ত সনাতনী বীর সন্তান কাজ করে চলেছেন তাদেরকে 'সনাতনী বীর সন্তান সম্মান ২০২৪ ' পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। কিছু শিক্ষক ও ডাক্তারকে সমাজসেবকের সম্মান দেওয়া হয়েছে।
আজকের এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদা ললিত মোহন হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান সহকারী শিক্ষক সুকমল বিশ্বাস, মোল্লাহাহাটি জুনিয়র হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রণয় গাইন, চাঁদা জিএসএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষক পরিতোষ রায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী অজিত অধিকারী, চাঁদার বিশিষ্ট সমাজসেবী কীর্তন কমিটির সভাপতি চিত্ত রায়, ডাক্তার তপন কুমার মল্লিক, ডাক্তার সুধীর কুমার বালা, সমাজসেবক নিত্যরঞ্জন বিশ্বাস, সুখেন্দু মন্ডল, প্রণব কুমার ঘোষ, ডাক্তার ছন্দা বিশ্বাস, নিত্যানন্দ ভৌমিক, সহ আরো অনেকে।
পূজারী ও পুরোহিত যাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বর্ষিয়ান পুরোহিত, মাখন লাল ভট্টাচার্য, সুভাষ ব্যানার্জি,শমল চক্রবর্তী, সব্যসাচী চক্রবর্তী, সঞ্জীব চক্রবর্তী।
যে সমস্ত মধুয়া দলপ্রতিদের সংবর্ধনা রয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বনগাঁ বিধানসভা পানচিতা গ্রামের মতুয়া দলের দলপতি মহানন্দ বিশ্বাস, বাগদা বিধানসভার বেদিয়াপোতা গ্রামের দলপতি নলিনী বিশ্বাস, বাগদা বিধানসভার চাঁদা পাঁচমাইল মতুয়া দলের দলপতি মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, বনগাঁ উত্তর বিধানসভার ধর্মপুকুরিয়া গ্রামের দলপতি শুভরঞ্জন মন্ডল সহ অন্যান্য দলপ্রতিরা।
'সনাতনী বীর সন্তান সম্মান 2024 পুরস্কার' দেওয়া হয়েছে, হিন্দু সংহতির নেতৃত্ব অজিত অধিকারী, বাগদা বিজেপির নেতৃত্ব অমৃতলাল বিশ্বাস কে, গাইঘাটা বিধানসভা থেকে দেওয়া হয়েছে স্বামী দেবেশানন্দ জী কে।
সমাজসেবক ২০২৪ হিসাবে মানপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে, চাঁদা ললিত মোহন হাই স্কুলের প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক সুকমল বিশ্বাস, ও ডাক্তার ছন্দা বিশ্বাস কে।
এই সংস্থার স্থাপক গোবিন্দ বিশ্বাস জানান, আমরা 2020 সাল থেকে সনাতনী বীর সন্তান সম্মান ও পূজারী -পুরোহিত সম্মান চালু করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য হলো সমস্ত সনাতনী মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা। জাত পাত ভুলে সমস্ত মানুষ আমরা সনাতনী এই বার্তা দেওয়া। মুচি মেথর ধনী- দরিদ্র মূর্খ -শিক্ষিত সমস্ত ভারত বাসীকে এক ছাদের নিচে এসে সনাতন ধর্ম কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
এই সংস্থা থেকে 'সনাতনী বীর সন্তান পুরস্কার'' প্রাপ্ত অজিত অধিকারী বলেন, সনাতন ধর্ম রক্ষার জন্য একাধিকবার বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচারিত হয়েছি, সনাতনী মা-বোনদের রক্ষার জন্য অনেক কেস খেয়েছি। কিন্তু কোথাও কোন সম্মান পাইনি। সনাতনী ডেভেলপমেন্ট বোর্ড আমাকে সম্মানিত করেছে। এর জন্য এই সংস্থার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
0 coment rios: