ঘটনার দিন অর্ণব বাবু প্রতিদিনের মতো ১লা মে প্রাতঃ ভ্ৰমনে বেরিয়েছিলেন কিন্তু তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেনি। তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় ভোর বেলার রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা ফুলিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান কিন্তু সেখান থেকে তাকে স্থানান্তরিত করা হয় রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে। রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে বাড়ির লোকজন খবর পান। শিক্ষকের স্ত্রী তিনিও একজন শিক্ষিকা। তিনি চাঁদপাড়া সিংজল হাই স্কুলের বায়োলজির শিক্ষিকা।
বিধবা মায়ের একমাত্র সন্তান অর্ণব বাবু। খুব কষ্ট করে তার মা তাকে মানুষ করেছিলেন। তাদের পরিবার ছিল সুখের। স্বামী স্ত্রী দুজনেই শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি করতেন হাইস্কুলে। তাদের একটি মেয়ে সন্তান আছে।
এলাকায় খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলেহিসাবে পরিচিতি ছিলো অর্ণব বিশ্বাসের। কিন্তু তার এই মৃত্যু গ্রামবাসীরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। তার মৃত্যুর পিছনে রহস্য কি এখনো জানা যায়নি। তবে পরিবারের তরফ থেকে এখনো (10মে )পর্যন্ত পুলিশে কোনরকম অভিযোগ দায়ের করা হয়নি.
আজ মৃত্যুর পরে তার পোস্টমর্টেম রিপোর্ট করতে দিয়েছেন ডাক্তার বাবুরা।
এখন পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বেরোলেই প্রকৃত সত্য ঘটনা টা জানা যাবে। মৃত্যুটা অস্বাভাবিক কি না? কিন্তু শিক্ষকের মৃত্যুর পিছনে অনেক রহস্য দানা বেঁধে বসে আছে। ছেলে হাসপাতালে থাকলেও মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি বলে জানা গেছে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে।
তবে এই অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে অনেক রহস্য এখনো পরিষ্কার হওয়া বাকি আছে। কে বা কারা এই মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত বা স্বাভাবিক মৃত্যু কিনা সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে পুলিশে তদন্তের পরে।
0 coment rios: