মহালয়ার দিন থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্ম ও স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করেছিলো গাঁড়াপোতা গ্রামবাসী বৃন্দ।
মহালয়ার দিন ছিলো বিনামূল্যে সুগার ও প্রেসার আরো অন্যান্য পরীক্ষার শিবির। পঞ্চমীর দিন ছিলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির সহযোগিতায় ছিলেন সংকরজ্যোতি আই হসপিটাল কলকাতা। এই শিবিরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৮০ জন মানুষ। অষ্টমীর বিশেষ আকর্ষণ ছিলো কুমারী পূজা । সম্ভবত গাঁড়াপোতা গ্রামবাসী বৃন্দ এটা প্রথম করলো। পূজা মন্ডপ শিল্পীর নাম কার্তিক ঘোষ মা ডেকোরেটর কলোমবাগান। মাতৃ শিল্পীর নাম বিশ্বজিৎ পাল গাঁড়াপোতা কালীবাড়ি। পূজা মন্ডপ তৈরি সম্পূর্ণ কাল্পনিক আদলে।
২৫ বছর ধরে এই পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু কখনো কোনো সরকারি অনুদানে এরা পায়নি। কিন্তু এ বছর শাসকদলের বিধায়িকাকে দেখা গেছে হয়তো আগামী দিনে অনুদান এরা পেতে পারে।
পুজো উদ্বোধনের বিধায়িকার এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন , সদ্য নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূলের যুব সভাপতি ভবতোষ বিশ্বাস,গাঁড়াপোতা অঞ্চলের বিজেপি নেতা, কল্লোল দাস, রাকেশ দে, তৃণমূলের আরেক যুবনেতৃত্ব বাপ্পা বাবু সহ অনেকে।
এখানকার গ্রামবাসী বৃন্দ সকলে মিলে মিশে এই পুজোটা আয়োজন করেন। কোনো পার্টির ব্যানারেই এই পুজোটা হয় না। তবে এবার তৃণমূলের বিধায়িকা পূজো উদ্বোধন করতে এসেছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান ও পুজো পরিচালনায় ছিলেন দীনবন্ধু মিস্ত্রি,সুকান্ত দেবনাথ,,হরিপদ মিস্ত্রি সহ অনেকে। এই পুজো কমিটির সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তী বলেন , এবছর পূজোয় আমাদের বিশেষ আকর্ষণ ছিলো কুমারী পূজা। এবং মহালয়ার দিন থেকে আমরা বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম করেছি।
0 coment rios: